জাবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা
বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ডেঙ্গু সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন সংগঠনের সদস্যরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শুভসংঘের জাবি শাখার সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, ডরমিটরি, অনুষদ ভবন ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পাশাপাশি কোথাও যেন দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সেদিকেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে মশারি ব্যবহারসহ প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
বসুন্ধরা শুভসংঘ জাবি শাখার সভাপতি প্রত্যাশা রানী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে হবে না। শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসের প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন কিংবা যেকোনো স্থানে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।’
সংগঠনের প্রচার সম্পাদক রিফাত বিন নুর বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিজের আবাসিক কক্ষ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে পারি।’
কর্মসূচি শেষে, ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন শুভসংঘের সদস্যরা।
এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রধান উপদেষ্টা ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামসহ সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্য সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।