EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম

বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আরও সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংকটের সমাধান ও রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের আরও উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের আরও বিনিয়োগ ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ আঞ্চলিক যোগাযোগের বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন। 

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নে চীনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি। জনগণের জন্য উন্মুক্ত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জটিল রক্তের ক্যান্সারের চিকিৎসায় চীনের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি। এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন।

আরও পড়ুন