EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসবে মৌসুমি ফলের স্বাদে আনন্দে মাতল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা

মৌসুমি ফলের স্বাদ পেয়ে উচ্ছ্বসিত গাইবান্ধার পিছিয়ে পড়া শিশু ও পরিবার; পুষ্টি সচেতনতায় অনন্য উদ্যোগ

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসবে মৌসুমি ফলের স্বাদে আনন্দে মাতল সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, অনারস, পেয়ারা, লটকনসহ নানা মৌসুমি ফলের স্বাদে আনন্দে মেতে উঠল গাইবান্ধার সুবিধাবঞ্চিত পরিবার ও শিশুরা। বসুন্ধরা শুভসংঘ, গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ফল উৎসব শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি মৌসুমি ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছে।

শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই) চত্বরে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে সুবিধাবঞ্চিত নারী, পুরুষ ও শিশুদের হাতে বিভিন্ন মৌসুমি ফল তুলে দেওয়া হয়। ফল হাতে পেয়ে শিশুদের উচ্ছ্বাস আর হাসিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজনস্থল।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ এবং নাট্যকর্মী ও বাচিকশিল্পী শিরিন আক্তার।

বাচিকশিল্পী শিরিন আক্তার বলেন, ‘প্রকৃতি আমাদের জন্য যে মৌসুমি ফলের ভাণ্ডার  উন্মুক্ত করে দিয়েছে, তা শুধু সুস্বাদুই নয়, শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এমন আয়োজন শিশুদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করে।’

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ বলেন, ‘মানবিক সমাজ গঠনে শিশুদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসুন্ধরা শুভসংঘ যে ভালোবাসা নিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদেরও এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।’

এর আগে আয়োজনে বক্তব্য দেন বসুন্ধরা শুভসংঘের সাবেক জেলা সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ বিপ্লব, জেলা সভাপতি আহসান আজিম প্রধান নাঈম, সাধারণ সম্পাদক আহসানিয়া তাসনিম স্নিগ্ধা, সদর উপজেলা সভাপতি সামিউল বাসির এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের গাইবান্ধা প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন।

হুমায়ূন আহমেদ বিপ্লব বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। প্রতিবছর শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। ফল উৎসবের মাধ্যমে শিশুদের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে উৎসাহিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

বক্তারা বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই। তাই সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে শিশুদের পুষ্টি ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে।

ফল উৎসবকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরা শুভসংঘের বিপুলসংখ্যক সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনটি অংশগ্রহণকারী শিশু ও তাদের পরিবারের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশিদুল ইসলাম, জিহাদ আকন্দ, তৌহিদুল ইসলাম, সুমাইয়া আক্তার, ইভা আক্তার, লিজা সরকার, মো. সাকিব মিয়া, মো. আতিকুর রহমান, মো. মিল্লাত, এ. জে আশিকুর রহমান শাওন, অনিক চন্দ্র শীল, আরাফাত রহমান আরিফসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন