EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দুদকের মামলায় দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পিএম

দুদকের মামলায় দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
অ অ

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। অসাধু উপায়ে ১১২ কোটি টাকার বেশি সম্পদ অর্জন এবং ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে ৭৫৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন দিলীপ আগরওয়ালাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।

আবেদনে বলা হয়, দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১১২ কোটি ৪৭ লাখ ২৮ হাজার ৪০৭ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া তার ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩৮৫ কোটি ৩২ লাখ ৬২ হাজার ১২৩ টাকা জমা এবং ৩৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ৯৪ হাজার ১৪০ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে সর্বমোট ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৩ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বর্তমানে গুলশান থানায় দায়ের করা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


পরদিন ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার চোরাচালানের অভিযোগে মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২১ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী আ. জব্বারকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় দ্বিতীয় দফায় তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৭ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন