EN ☀️
×

Follow Us

বাংলাদেশ

গার্মেন্টসের চেয়েও কুটির শিল্পে আয়ের সম্ভাবনা বেশি: গয়েশ্বর

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পিএম

গার্মেন্টসের চেয়েও কুটির শিল্পে আয়ের সম্ভাবনা বেশি: গয়েশ্বর

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

গার্মেন্টস খাতের চেয়েও কুটির ও হস্তশিল্পে আয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি। তিনি বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ, প্রচার ও বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে ঘরে বসেই কুটির শিল্পের মাধ্যমে সম্মানজনক আয় করা সম্ভব।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কুটির শিল্পের সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ, বিশেষ করে নারীরা যুক্ত রয়েছেন। তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এতে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি পরিবারগুলোর আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুটির ও হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মৃৎশিল্পসহ নানা ধরনের পণ্যের দেশ-বিদেশে চাহিদা রয়েছে। এসব পণ্যের মান উন্নয়ন ও আধুনিক বিপণনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে এ খাত থেকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব।


কুটির শিল্পের প্রসারে নারীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, অনেক নারী ঘরে বসে এসব পণ্য তৈরি করে পরিবারের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পেলে তারা আরও বেশি আয় করতে পারবেন এবং নারীর ক্ষমতায়নও ত্বরান্বিত হবে।

দেশের পরিবেশ দূষণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে হয়রানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ‘ফাইলের চাকা ঘোরাতে হবে’, যাতে উদ্যোক্তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা পান।

বিসিকের আয়োজনে তেজগাঁওয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’ চলছে। মেলায় শতাধিক স্টলে বিভিন্ন ধরনের কুটির ও হস্তশিল্পের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে এবং আগামী ১১ অক্টোবর মেলা শেষ হবে।

আরও পড়ুন