সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে তেঁতুলিয়া, হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর ভিড়
হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর ভিড়, আক্রান্ত বেশিরভাগই শিশু ও বৃদ্ধ
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ঘন কুয়াশা আর হিমালয়ের দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার দাপটে কাঁপছে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা পঞ্চগড়। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় শীতের প্রকোপ হঠাৎ করেই তীব্র আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ। এর আগের দিন, শুক্রবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জিতেন্দ্র নাথ আরও বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা এই হিমেল হাওয়ার কারণে তেঁতুলিয়ায় তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তিনি পূর্বাভাস দেন যে, সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি থেকে ১১ ডিগ্রির ঘরে নেমে যাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে শীতের প্রকোপ। দিনের বেলা সূর্যের ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও তাতে তেমন উত্তাপ নেই। রাতে ও সকালে ঠান্ডার কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষ গরম কাপড় পরিধান করতে শুরু করেছেন।
শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো। শীত মোকাবিলায় তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। তীব্র ঠান্ডার কারণে হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে।
বহির্বিভাগে প্রতিদিনই ভিড় করছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। গুরুতর অসুস্থরাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। সারাদিন ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকছে এবং শেষ বিকালে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় পঞ্চগড়ের জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে।