EN ☀️
×

Follow Us

বাণিজ্য

রপ্তানি বাড়াতে ১৫ নভেম্বর ঢাকায় বসছে গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো

১২ খাতে অংশ নেবে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান, উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

রপ্তানি বাড়াতে ১৫ নভেম্বর ঢাকায় বসছে গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো
অ অ

দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন আন্তর্জাতিক বাজারের সন্ধানে ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ঢাকা ২০২৬’। আগামী ১৫ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া এ প্রদর্শনীতে ১২টি খাতের প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে বলে আশা করছে আয়োজক রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে দেশীয় উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চায় সংস্থাটি।

১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিগ ওয়েভ) এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর উদ্বোধন করবেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয় জানিয়েছে।

ইপিবি জানায়, গত বছর প্রথমবারের মতো এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়। এবার এর পরিসর বাড়ানো হয়েছে। গতবার আটটি খাত থাকলেও এবার অংশ নেবে ১২টি খাতের প্রতিষ্ঠান।

খাতগুলো হলো তৈরি পোশাক ও বস্ত্র, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প ও পাটজাত পণ্য, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য ও কিচেনওয়্যার, আসবাব ও গৃহসজ্জা, ওষুধশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), কাগজ ও প্যাকেজিং, অটোমোবাইল, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিরামিক ও টেবিলওয়্যার।

আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে ইপিবি। বিদেশি বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সহযোগিতা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত কমার্শিয়াল কাউন্সেলরদেরও এ কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে।

এক্সপোকে আরও কার্যকর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগের উপযোগী করতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় একটি মতবিনিময় সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, জয়েন্ট চেম্বার, বায়ার্স ফোরাম এবং বিভিন্ন দেশের ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে এক্সপোর প্রস্তুতি নিয়ে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীর সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়েছে।

আয়োজকদের আশা, দেশি-বিদেশি পক্ষগুলোর সমন্বিত অংশগ্রহণে এ আয়োজন বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন গতি আনবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং নতুন বাজারের সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হবে এ এক্সপো।

ইপিবি মনে করছে, ধারাবাহিকভাবে এ আয়োজন সফল হলে বৈশ্বিক সোর্সিং কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগও বাড়বে।

আরও পড়ুন