EN ☀️
×

Follow Us

বাণিজ্য

ঈদের আগে মসলার বাজারে আগুন

মাত্র এক-দুই মাস আগেও পাইকারি বাজারে শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

ঈদের আগে মসলার বাজারে আগুন

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে শুকনা মরিচ ও হলুদের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। দেশে উৎপাদন আশানুরূপ না হওয়া এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে কয়েক মাস ধরেই দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকা পণ্য দুটির দাম কোরবানিকে কেন্দ্র করে আরও বেড়েছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশী শুকনা মরিচ কেজিপ্রতি ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি করা শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৪৬০ টাকায়। গত বছরের একই সময় দেশী মরিচের দাম ছিল ২৫০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং আমদানীকৃত মরিচ ছিল ২৮০ থেকে ৪৩০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশী মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৭০ থেকে ১১০ টাকা।

হলুদের বাজারেও একই চিত্র। দেশীয় আস্ত হলুদ এখন খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, যা গত বছর ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। আমদানীকৃত আস্ত হলুদের দামও বছরের ব্যবধানে কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়ে এখন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় উঠেছে।

পাইকারি বাজারের তথ্য আরও উদ্বেগজনক। মাত্র এক-দুই মাস আগেও পাইকারি বাজারে শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। সেই হিসাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে কয়েকগুণ।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের চাক্তাই এলাকার মেসার্স নাজিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কাউসার জানান, ‘দেশীয় চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ হলুদ ও মরিচ ভারত থেকে আসে। তিনি বলেন, ভারতীয় পণ্যের আকার বড় ও দেখতে চকচকে হওয়ায় দেশীয় বাজারে এর চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি থাকে। সরবরাহ সংকটে ভারতীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশী মরিচ-হলুদের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর।’

আরও পড়ুন