EN ☀️
×

Follow Us

খেলা

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

কলম্বোতে হচ্ছে পাক-ভারত মহারণ; বিসিবির মধ্যস্থতায় বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল পাকিস্তান।

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৭ এএম

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বিশ্ব ক্রিকেটের অচলাবস্থা কাটাতে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য এসেছে। অনেক নাটকীয়তা আর অনিশ্চয়তার পর অবশেষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান।

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে পূর্বনির্ধারিত হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামবে বাবর আজমরা। গতকাল মধ্যরাতে পাকিস্তান সরকারের এক আনুষ্ঠানিক ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) বার্তায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এই সিদ্ধান্ত বদলের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লাহোরে পিসিবি ও আইসিসি প্রতিনিধিদলের বৈঠকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের উপস্থিতি এবং তাঁর গঠনমূলক প্রস্তাব পাকিস্তানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিসিবি সভাপতি পিসিবিকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, বৈশ্বিক ক্রিকেটের ইকোসিস্টেম ও বৃহত্তর স্বার্থে পাকিস্তান যেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কট না করে।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে জানান যে, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অনুরোধ করেছে।

তবে এই অনুরোধ রক্ষার বিনিময়ে আইসিসির কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দিয়েছিল পিসিবি। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার কারণে আইসিসি যেন বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা আর্থিক ক্ষতির মুখে না ফেলে।


আইসিসি বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে একটি বিশেষ বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে।

পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনে আলাপ হয়েছে। পাশাপাশি আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব সদস্য দেশ ভবিষ্যতে আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতিকে সম্মান করতে সম্মত হয়েছে।

দেশ ফিরে বিসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমিনুল ইসলাম পিসিবিকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তান-ভারত দ্বৈরথ অপরিহার্য। বিসিবির এই মধ্যস্থতা বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মর্যাদাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।

আরও পড়ুন