EN ☀️
×

Follow Us

ধর্ম

নেক সন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত, যেভাবে গড়বেন

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ এএম

নেক সন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত, যেভাবে গড়বেন

নেক সন্তান পিতা-মাতার জন্য দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ। ছবি সংগৃহীত

অ অ

ইসলামে নেক সন্তানকে মহান আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী, সন্তান দুনিয়ার সৌন্দর্য হলেও সৎ ও নেককার সন্তান পিতা-মাতার জন্য দুনিয়া ও আখিরাত, উভয় জগতেই কল্যাণের উৎস। তাই শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও দোয়ার মাধ্যমে সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছে ইসলাম।

কোরআনে সন্তানের গুরুত্ব

সুরা কাহাফের ৪৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা সম্পদ ও সন্তানকে দুনিয়ার জীবনের সৌন্দর্য বলে উল্লেখ করেছেন। সুরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের দোয়া হিসেবে এসেছে, তাঁরা স্ত্রী ও সন্তানের মাধ্যমে চোখের শীতলতা কামনা করেন। নবী জাকারিয়া (আ.)ও আল্লাহর কাছে পবিত্র সন্তান প্রার্থনা করেছিলেন (সুরা আলে ইমরান: ৩৮)।

হাদিসের বাণী

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষ মারা গেলে তার আমলের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমল চলমান থাকে। সেগুলো হলো সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান এবং এমন নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে (সহিহ মুসলিম: ১৬৩১)।

নেক সন্তান গড়ার উপায়

আলেমদের মতে, ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, সত্য কথা বলা ও বড়দের সম্মান করার অভ্যাস শেখাতে হবে। এ ক্ষেত্রে পিতা-মাতার নিজের আচরণই সবচেয়ে বড় শিক্ষা। হালাল উপার্জন, সন্তানদের মধ্যে ন্যায়বিচার, স্নেহ ও ভালোবাসাও জরুরি। পাশাপাশি আল্লাহর কাছে নিয়মিত সন্তানের হেদায়াতের জন্য দোয়া করা উচিত। হজরত ইবরাহিম (আ.) দোয়া করেছিলেন, যেন তিনি ও তাঁর বংশধরেরা নামাজ কায়েমকারী হন (সুরা ইবরাহিম: ৪০)।

সন্তান আল্লাহর আমানত। এই আমানতের যথাযথ হক আদায় করলে সন্তান শুধু পরিবারের নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রেরও সম্পদে পরিণত হয়। তাই সচেতন অভিভাবকদের উচিত সন্তানের দুনিয়াবি সাফল্যের পাশাপাশি দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়া।

আরও পড়ুন