EN ☀️
×

Follow Us

প্রবাস

জর্ডানে শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

জর্ডানে শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩
অ অ

জর্ডানে শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা, জাল নথি ব্যবহার এবং অভিবাসী চোরাচালানের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার রূপায়ণ মিলেনিয়াম স্কয়ারে অবস্থিত ‘সুরাহ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্রেডার্স’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মাঞ্জুর প্রধানিয়া (৩৫), মো. ওসমান গনি (২৫) এবং কাজী মো. আতা-ই-রাব্বি (২৮)।

সিআইডি জানিয়েছে, তাদের মানব পাচার মনিটরিং সেলের একটি দল সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে আটক করে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জর্ডানের আম্মানে অবস্থিত ‘জেরাশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ফ্যাশন ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড’-এর নাম, লোগো ও সিলমোহর জাল করে অভিযুক্তরা জর্ডানে শ্রমিক ভিসায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জনপ্রতি ২ লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করছিলেন।

এ বিষয়ে জর্ডানে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে অভিযোগ জানালে তা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সিআইডির কাছে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

তদন্তে আরও জানা যায়, ‘সুরাহ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্রেডার্স’ একটি ট্রাভেল এজেন্সি হলেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স নেই। তা সত্ত্বেও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জর্ডান, সৌদি আরব, সার্বিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠানোর বিজ্ঞাপন প্রচার করে আসছিল।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় থেকে ৫৫টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, বিদেশগমনসংক্রান্ত ১৬টি চুক্তিপত্র, দুটি সিপিইউ এবং একটি ডিভিআর জব্দ করা হয়।

জব্দ করা পাসপোর্টগুলোর মধ্যে ১৮টি জর্ডানগামী এবং বাকিগুলো সৌদি আরবে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সিআইডির ভাষ্য, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহের মাধ্যমে অভিযুক্তরা অভিবাসী চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিআইডি জানিয়েছে, এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন