Logo
EN
×

Follow Us

বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে সরোয়ার হত্যায় সাজ্জাদ আলীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিহত সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদের বাদী হয়ে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামে সরোয়ার হত্যায় সাজ্জাদ আলীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ-এর জনসংযোগ সভায় গুলি করে সরোয়ার হোসেন প্রকাশ বাবলা হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বিদেশে পলাতক ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ আলীসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতের ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, নিহত সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদের বাদী হয়ে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন।

মামলায় নামোল্লেখ করা আসামিরা: সাজ্জাদ আলী, মোহাম্মদ রায়হান, বোরহান উদ্দিন, নেজাম উদ্দিন, আলাউদ্দিন, মোবারক হোসেন ওরফে ইমন, হেলাল ওরফে মাছ হেলাল।

পুলিশ জানিয়েছে, এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়েছে, বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সরোয়ারকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ গত রবিবার সরোয়ারকে ‘সময় শেষ’ বলে মেরে ফেলার হুমকি দেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় সরোয়ার এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগে অংশ নেন। এসময় পেছন থেকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ জানায়, সাজ্জাদের নির্দেশে তার অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করেছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই ঘটনায় সরোয়ারসহ পাঁচজন আহত হন। এরশাদ উল্লাহও গুলিবিদ্ধ হন। নিহত সরোয়ারের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একসময় সাজ্জাদ আলীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন সরোয়ার। তবে ২০১৫ সালে আলাদা গ্রুপ গঠনের পর তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের কারণে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর আগে চলতি বছরের ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারে গুলি চালানোর ঘটনায় দুজন নিহত হন। তদন্তে জানা যায়, মূল টার্গেট ছিলেন সরোয়ার হোসেন।

আরও পড়ুন