পাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা
বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় ভালো কাজের সাথে আছে। আমরা সারাদেশ বিভিন্ন মানবিক কাজ করে থাকি। আমরা একটা মানবিক পৃথিবী গড়তে চাই।’
ডেইলি সান রিপোর্ট, পাবনা
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৫
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা’
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউশেপ একাডেমিক ভবনে পরিসংখ্যান বিভাগের ১০০২ নং রুমে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে দশটায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন। এরপর সকাল এগারোটায় প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব শুরু হয়। রেজিস্ট্রশন করা ৫২ জন শিক্ষার্থী থেকে শীর্ষ পাঁচজনকে নিয়ে দুপুর সাড়ে বারোটায় শুরু হয় চূড়ান্ত পর্ব। চূড়ান্ত পর্ব শেষে দুপুর দুইটায় পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক শোভন রায়হান, অর্থ সম্পাদক এমরান হোসেন তানিম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিতর্ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সিয়াম।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রউফ, পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বিরা গালিবা তন্বি, পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত পাল।
বসুন্ধরা শুভসংঘের পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় ভালো কাজের সাথে আছে। আমরা সারাদেশ বিভিন্ন মানবিক কাজ করে থাকি। আমরা একটা মানবিক পৃথিবী গড়তে চাই। আমরা আজকের প্রতিযোগিদের কাছে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছাতে চাই যে, আমাদের ভালো ছাত্র হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়া প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে যদি মানবিক মূল্যবোধ না থাকে তাহলে সমাজকে আমরা কিছু দিতে পারবোনা। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সমাজের ভালো কাজে এগিয়ে আসা। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে সমাজকে আলোকিত করা।’
আলোচনা পর্ব শেষে প্রতিযোগিতার প্রথম পাঁচ প্রতিযোগীর হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক প্রতিযোগিকে ‘অংশগ্রহণ’ সনদ দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন স্থাপত্য বিভাগে বিভাগের ফাইরোজ নাওয়ার নাদিয়া, দ্বিতীয় হয়েছেন একই বিভাগের ইয়ারুন্নেসা মুক্তি, তৃতীয় হয়েছেন একই বিভাগের সানজিদা জাবিন, চতুর্থ হয়েছে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের আসিফা জান্নাত অথৈই, পঞ্চম হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের মোস্তাকিম বিল্লাহ।