Logo
EN
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নীলফামারী

ইপিজেড শ্রমিকদের আন্দোলন কঠোর হাতে প্রতিহত করল স্থানীয়রা

শ্রমিকেরা কাজে যোগদান না করায় সম্প্রতি উত্তরা ইপিজেডের চারটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ইপিজেড শ্রমিকদের আন্দোলন কঠোর হাতে প্রতিহত করল স্থানীয়রা

ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) কর্মরত শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলন স্থানীয়দের তীব্র প্রতিরোধের মুখে প্রতিহত হয়েছে। স্থানীয়রা ‘আন্দোলন হটাও, ইপিজেড বাঁচাও’ স্লোগান দিয়ে শ্রমিকদের এই আন্দোলন কঠোরভাবে দমন করে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিভিন্ন দাবি নিয়ে উত্তরা ইপিজেডের প্রধান ফটকে আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা রাস্তা অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাদের আন্দোলন কঠোরভাবে প্রতিহত করেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নীলফামারী পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেসামাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, গত এক মাসে উত্তরা ইপিজেডের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের একের পর এক দাবির কারণে জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) সহ অসংখ্য কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। এর পরেও শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও আন্দোলন কোনোভাবেই থামছিল না। শ্রমিকেরা কাজে যোগদান না করায় সম্প্রতি উত্তরা ইপিজেডের চারটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম.আর সাঈদ জানান, ‘সম্প্রতি উত্তরা ইপিজেডে বন্ধ হওয়া চারটি কারখানার শ্রমিকেরা বিভিন্ন দাবিতে আজ আবারও আন্দোলন শুরু করলে, তারা স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নীলফামারী পুলিশ প্রশাসন উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রমিকদের সকল দাবি ইপিজেডের কোম্পানিগুলো মেনে নেওয়া সত্ত্বেও একটি ‘অসাধু চক্র’ অহেতুক আন্দোলন করে উত্তরা ইপিজেডকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে। তারা বলেন, ‘ইপিজেডে সম্প্রতি বন্ধ হওয়া চারটি কোম্পানির শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে জনগণের চলাচলে বাধা দিচ্ছিলেন। এভাবে চলতে থাকলে পুরো ইপিজেড বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

আরও পড়ুন