EN ☀️
×

Follow Us

রাজনীতি

‘খেলাধুলার চর্চা থাকলে যোগ্য ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রজন্ম গড়ে উঠবে’

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

‘খেলাধুলার চর্চা থাকলে যোগ্য ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রজন্ম গড়ে উঠবে’

ছবি: ঢাকায় ‘গ্রীনরোড এস্টেট সরকারি কর্মচারী সমাজকেন্দ্র আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সংগৃহীত

অ অ

তরুণরা যত বেশি খেলাধুলা ও অনুশীলনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, তত বেশি একটি যোগ্য ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আগামী প্রজন্ম গড়ে উঠবে। পাশাপাশি একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিস্থ গ্রীনরোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার, কলাবাগানে ‘গ্রীনরোড এস্টেট সরকারি কর্মচারী সমাজকেন্দ্র’ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এটি একটি পেশা ও জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। যারা ভালো খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং দেশের সুনাম অর্জন করছেন, তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

এসময় তিনি আরো বলেন, খেলার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো জয়কে উপভোগ করা এবং পরাজয়কে মেনে নেওয়া। এই ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত করা প্রয়োজন। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজনের প্রশংসা করে সড়ক মন্ত্রী বলেন, গ্রীনরোড স্টাফ কোয়ার্টার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ ও নাগরিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন। এ ধরণের আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।

এসময় তিনি উল্লেখ করেন, এবারের ফুটবল টুর্নামেন্টে ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিযোগিতায় একাধিক ম্যাচের মধ্য দিয়ে চারটি দল চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসে। ফাইনাল ম্যাচে খেলোয়াড়দের গতি, বল নিয়ন্ত্রণ, সঠিক পাস, আক্রমণাত্মক কৌশল এবং দলীয় সমন্বয় ছিল প্রশংসনীয়।

খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, দলীয় চেতনা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা তৈরি করে। খেলোয়াড়, দর্শক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

ঢাকা-১০ আসনের কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার ও কলাবাগান এলাকার মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ধরনের অনুষ্ঠানকে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাইকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে যোগাযোগ মন্ত্রী টুর্নামেন্টের বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

আরও পড়ুন