গভীর রাতেও চলছে জোনায়েদ সাকির নির্বাচনি প্রচারণা
পথসভায় সাকি তার নির্বাচনি ইশতেহার তুলে ধরে বলেন, নির্বাচিত হলে শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিএনপির শরিক দল, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপি ঐক্য জোটের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনি মাঠ। প্রতিটি পথসভা ও উঠান বৈঠকে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারী, বৃদ্ধ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় তিনি উপজেলার দূর্গারামপুরে পথসভা করছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার ভোরে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা বাহেরচর ইউনিয়ন থেকে শুরু করেন প্রচারণা। সেখানে ২০টিসহ সদর পৌর এলাকায় প্রায় অর্ধ শতাধিক ছোট বড়ো পথসভা, জনসভা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাথাল মার্কার জন্য ভোট প্রার্থনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সদর ইউনিয়নের সরিষার চরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিহত শহীদ ইসমাইলের কবর জিয়ারত ও বাহেরচরে শিশুদের সঙ্গে ফুটবল খেলায় অংশ নেওয়া।
সোমবার দিনব্যাপী গ্রাম থেকে ইউনিয়নে গণসংযোগ ও পথসভায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মুছা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ম. ম ইলিয়াছ, ভিপি নাজমুল, আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ, মতিয়ুর রহমান জালু, লুৎফর রহমান লাতু, নাজির হোসেন ভেন্ডার, কামাল হোসেন মোক্তার, জয়নাল আবেদীন, ছাত্রদল নেতা আবু কালাম, লিটন সরকার এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক শামীম শিবলীসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পথসভাগুলোতে জোনায়েদ সাকি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দেশের সার্বিক অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করে এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সহায়ক হবে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার কমানোর ওপর জোর দিতে হবে।
তিনি বলেন, গ্রামীণ ও শহরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে ব্যাবসা-বাণিজ্য ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
দূর্গারামপুরে গ্রামে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সাকি বলেন, শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তোলা, যা কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা, দারিদ্র্য হ্রাস করা এবং একটি উন্নত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়া।