চুক্তির ৩ দশক: রক্তাক্ত পাহাড়ে আধিপত্যের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট
এ এইচ এম ফারুক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের নৈসর্গিক পার্বত্য চট্টগ্রাম কেবল সবুজ পাহাড় ও পাহাড়ি ঝরনার উপত্যকা নয়; এটি এক জটিল ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন, অর্থনৈতিক চাঁদাবাজির মাফিয়া সাম্রাজ্য এবং আঞ্চলিক আধিপত্যের রক্তক্ষয়ী ক্ষেত্রস্থল। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (কথিত শান্তি চুক্তি) প্রায় তিন দশক সময় পার হতে চললেও পাহাড়ি জনপদে স্থায়ী স্বস্তি বা নিষ্কণ্টক পরিবেশের দেখা মেলেনি। বরং বিগত বছরগুলোতে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল, একের পর এক দল ভাঙন, উগ্র জাতীয়তাবাদী উসকানি, অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি এবং শত শত কোটি টাকার বেপরোয়া চাঁদাবাজি পুরো অঞ্চলকে এক চরম নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সম্প্রতি খাগড়াছড়ির সীমা পেরিয়ে রাঙ্গামাটির সীমান্তঘেঁষা কৌশলগত পর্যটন জনপদ সাজেক ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় দুই প্রধান সশস্ত্র গ্রুপ—ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-মূল) এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ)-এর মধ্যকার সংঘাত ফের যে রক্তক্ষয়ী রূপ ধারণ করেছে, তা কেবল সাধারণ পাহাড়ি-বাঙালি অধিবাসীদের জীবনকেই বিপর্যস্ত করছে না; বরং বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সামনেও এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।
গত ৮ অক্টোবর খাগড়াছড়ি এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সফল অভিযানে ইউপিডিএফের (মূল) একটি গোপন সশস্ত্র আস্তানা ধ্বংস হওয়ার পর পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক নতুন অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ইউপিডিএফের আস্তানা গুঁড়িয়ে যাওয়ার সুযোগে খালি মাঠ পেয়ে ওই এলাকায় নিজেদের একক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ময়দানে নেমে পড়ে প্রতিপক্ষ সশস্ত্র গোষ্ঠী জেএসএস (সন্তু গ্রুপ)। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নৈসর্গিক পর্যটনকেন্দ্র সাজেক অভিমুখী প্রধান বাণিজ্যিক পথ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশাল অঙ্কের নতুন চাঁদাবাজির রুট তৈরি করতেই ভারী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকা পুনর্দখলের সশস্ত্র ছক কষে জেএসএসের ক্যাডাররা।
এই সন্ত্রাসী তৎপরতা, জোরপূর্বক চাঁদাবাজি এবং স্থানীয় কার্বারি (গ্রামপ্রধান), হেডম্যান ও সাধারণ পাহাড়ি বাসিন্দাদের ওপর ক্রমাগত হুমকি-ধমকির প্রতিবাদে রাজপথে নামতে বাধ্য হয় স্বয়ং পাহাড়ের নিরীহ জুম্ম জনগণ। ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’ ও ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে সাজেক সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাজেকে ঘুরতে আসা শত শত পর্যটক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং উদীয়মান পর্যটন শিল্প মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সময়োপযোগী, ধৈর্যশীল ও দক্ষ হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও পাহাড়ের মূল দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংকট ও ভয়াবহতা কিন্তু বিন্দুমাত্র কাটে নাই।
পার্বত্য অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি ও সশস্ত্র অপরাধ চক্রের চালচিত্র পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, পাহাড়ের সাম্প্রতিক এই গোলযোগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সরকারি হিসাব ও নিরাপত্তা বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি ২০২৬ সালের সাড়ে তিন মাসের ব্যবধানে কেবল খাগড়াছড়ির বিভিন্ন জোনেই দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে অন্তত ১২ দফা ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বাঘাইহাট জোন, লোগাং জোন, পানছড়ি, লংগদু ও দীঘিনালায় একে-৪৭, চীনা এলএমজি ও সাটুয়ার মতো স্বয়ংক্রিয় মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র থেকে শত শত রাউন্ড গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। গত ২০০৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইউপিডিএফ ও জেএসএস অন্তত ২৯৬ বার সরাসরি ভয়াবহ সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়েছে, যার ফলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৮ জন এবং নিখোঁজ ও অপহরণের শিকার হয়েছেন কয়েকশ নিরীহ মানুষ। এমনকি, গত সেপ্টেম্বর মাসে বাঘাইহাটে দুই পক্ষের অমানবিক গোলাগুলির মাঝে পড়ে ৯ বছরের এক অবোধ পাহাড়ি শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে।
পাহাড়ে এই অবিরাম রক্তপাত ও অস্থিতিশীলতার মূল চালিকাশক্তি কোনো আদর্শিক লড়াই নয়, বরং তা হলো 'অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য বিস্তার' বা বেপরোয়া চাঁদাবাজি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিন পার্বত্য জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) থেকে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বছরজুড়ে বিভিন্ন খাত—যেমন পর্যটন খাত, পরিবহন, সাধারণ জুম চাষ, কাঠ ও বাঁশ পরিবহন, ফলজ বাগান এবং স্থানীয় বাজার থেকে বছরে প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে। এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দিয়ে তারা সীমান্ত পার করে আধুনিক ভারী আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও আধুনিক যোগাযোগ সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে—যা পুরো পাহাড়ি জনপদকে এক মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত করে রেখেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ পাঁচ দশকের ইতিহাস ও বিভিন্ন গবেষণার আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ অঞ্চলের সংকটটি যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি প্রশাসনিক ভুলের ফসল। ১৯৭৭ সাল থেকে শুরু হওয়া তথাকথিত 'শান্তিবাহিনী'র দীর্ঘ সশস্ত্র রক্তপাতের পর ১৯৯৭ সালে তড়িঘড়ি করে সম্পাদিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (কথিত শান্তি চুক্তি) মাধ্যমে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) মূলধারায় ফেরার অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু সেই চুক্তির ভেতরেই নিহিত ছিল দ্বৈত শাসনের বীজ। ১৯৯৭ সালের চুক্তির বিরোধিতা করেই জন্ম নেয় ইউপিডিএফ।
পার্বত্য চুক্তির সুযোগ নিয়ে জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক পরিষদের দায়িত্বে থাকা সন্তু লারমা বিগত আড়াই ডজন বছর ধরে জাতীয় রাজস্ব ও রাষ্ট্রীয় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করে আসছেন, কিন্তু চুক্তির শর্তানুযায়ী তাদের সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীকে বিলুপ্ত করা কিংবা সম্পূর্ণ অস্ত্র আত্মসমর্পণ করানোর ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান দায়িত্ব পালন করেননি। এটি রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকদের একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক ও কৌশলগত ভুল ছিল। একদিকে আঞ্চলিক পরিষদে বসে একক রাষ্ট্রের ভেতরে দ্বৈত প্রশাসনিক কাঠামোর সুবিধা নেওয়া, আর অন্যদিকে স্বায়ত্তশাসনের ধোঁয়া তুলে পাহাড়ি তরুণদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া—এই দুইমুখী নীতির ফলেই আজ পাহাড়ি যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ইউপিডিএফ নিজেদের 'জুম্ম জাতীয়তাবাদের' একমাত্র কাণ্ডারি দাবি করলেও সাধারণ পাহাড়িদের জীবনকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় ও সশস্ত্র সন্ত্রাস চালানোই তাদের মূল রাজনৈতিক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালক্রমে উভয় দলই একাধিক উপদলে (যেমন জেএসএস-মূল, জেএসএস-সংস্কার, ইউপিডিএফ-মূল, ইউপিডিএফ- গণতান্ত্রিক) বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং আদর্শিক অবস্থান হারিয়ে কেবল ভৌগোলিক এলাকা দখল, কন্টাক্ট কিলিং, অপহরণ এবং চাঁদাবাজির মাফিয়া সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের নামে গঠিত এই সংগঠনগুলোর প্রধান শিকারে পরিণত হচ্ছে খোদ নিরীহ পাহাড়িরাই। চাঁদাবাজির রসিদ না দিলে বা আনুগত্যে সামান্য ত্রুটি হলে নিজ জাতিসত্তার মানুষকে হত্যা বা গুম করতেও তাদের সশস্ত্র ক্যাডাররা দ্বিধা করছে না।
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা কোনো আঞ্চলিক বা স্থানীয় বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সাথে সরাসরি যুক্ত। তিন পার্বত্য জেলার ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে এবং মিয়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও ভারতের মিজোরাম-ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন কৌশলগত অঞ্চলকে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতাবাদী, ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তকারী ও মাদক-অস্ত্র চোরাচালানকারী গোষ্ঠীগুলোও এই অঞ্চলকে দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীল রাখার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত।
পাহাড়ে প্রকৃত শান্তি, সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হলে এখন রাষ্ট্রকে কালক্ষেপণ না করে দ্বিমুখী কঠোর ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতি গ্রহণ করতে হবে। তার মধ্যে-
১. জিরো টলারেন্স নীতি ও সর্বাত্মক যৌথ অভিযান: পাহাড়ের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অবৈধ অস্ত্রের মহড়া বন্ধ এবং চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে নিরবচ্ছিন্ন কম্বিং অপারেশন বা সাঁড়াশি অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। পাহাড়ের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি শতভাগ নিশ্ছিদ্র করতে হবে যাতে সীমান্ত গলিয়ে কোনো নতুন অস্ত্র বা গোলাবারুদ প্রবেশ করতে না পারে।
২. চাঁদাবাজির রুট ও অর্থনৈতিক ভিত্তি ধ্বংস করা: পাহাড়ে অস্ত্র ব্যবসার মূল জ্বালানি হলো সাধারণ মানুষের রক্ত পানি করে অর্জন করার টাকা থেকে জোর করে আদায় করা চাঁদা। সাজেকসহ সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র, জাতীয় মহাসড়ক, বাণিজ্যিক বাজার এবং পরিবহন খাতকে শতভাগ চাঁদাবাজমুক্ত ঘোষণা করতে হবে। চাঁদা আদায়কারী ও তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. আঞ্চলিক পরিষদের পুনর্মূল্যায়ন ও আইনগত সংস্কার: একক রাষ্ট্রের মধ্যে দ্বৈত কাঠামো বা অকার্যকর আঞ্চলিক পরিষদের তোষণ নীতি বন্ধ করতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলের সকল আইনের শাসন ও প্রশাসনিক ক্ষমতা এককভাবে রাষ্ট্রের সংবিধিবদ্ধ স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা পরিষদের কাছে সংহত করতে হবে।
৪. মনস্তাত্ত্বিক মেলবন্ধন ও সাধারণ পাহাড়ি-বাঙালির উন্নয়ন: সাধারণ পাহাড়ি জনগণ যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চায়, তা সাজেক অবরোধের সাম্প্রতিক গণপ্রতিরোধ থেকেই দিবালোকের মতো স্পষ্ট। স্থানীয় পাহাড়ি কার্বারি, হেডম্যান, শিক্ষক, তরুণ প্রজন্ম এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে রাষ্ট্রীয় সংলাপ বাড়াতে হবে। সমতল ও পাহাড়ের জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করে সম্প্রীতি ও অভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে।
পাহাড়কে অস্থিতিশীল করে যারা নিজস্ব মাফিয়া সাম্রাজ্য রক্ষা বা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, তাদের রাষ্ট্রীয় শক্তিতে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন— বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কোনো অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে বা চাঁদাবাজদের কাছে ছেড়ে দেওয়া হবে না। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সবুজ পাহাড়ে শান্তি, প্রগতি ও সার্বভৌমত্বের পতাকা উড়াতে হলে অবিলম্বে বেআইনি অস্ত্র সংবরণ, সন্ত্রাস দমন এবং সর্বাত্মক সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
ইমেইল: [email protected]