EN ☀️
×

Follow Us

মতামত

চিকিৎসার ব্যয়ে নিঃস্ব হওয়া ঠেকাতে কঠোর তদারকি জরুরি

সব চিকিৎসক, ওষুধ কোম্পানি কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে দায়ী করা অন্যায়। অসংখ্য চিকিৎসক সীমিত সুযোগে নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন

একেএম মাহফুজুর রহমান

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ পিএম

চিকিৎসার ব্যয়ে নিঃস্ব হওয়া ঠেকাতে কঠোর তদারকি জরুরি

একেএম মাহফুজুর রহমান

অ অ

দেশের অসুস্থ অথবা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় নির্ভরযোগ্য ও সঠিক চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ওষুধ কোম্পানি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের আর্থিক জবাবদিহিতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য, স্বচ্ছতা, সময়ানুবর্তিতাসহ সকল পর্যায়ে কঠোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা এখন সরকারের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব বলে দেশের জনগণ মনে করছে। পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে চিকিৎসক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে।

নিয়ন্ত্রণহীন চিকিৎসক পরামর্শ ফি, ওষুধের খরচ, রোগীকে প্রকৃত রোগ নির্ণয়ে সময় না দিয়ে অপ্রয়োজনীয় টেস্টের ওপর নির্ভর করে রোগীর খরচ বাড়ানো, হয়রানি, সময় নষ্ট, মানসিক দুশ্চিন্তা এবং সবশেষে নিঃস্ব হওয়া অথবা বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়া। কিছুসংখ্যক ভালো, মানবিক, সৎ পেশাজীবী, আর্থিক লোভহীন ও দুর্নীতিমুক্ত চিকিৎসকের কারণেই আজও এ দেশের মানুষ কিছুটা হলেও আশার আলো ও শান্তি নিয়ে বেঁচে আছে এবং সুস্থ আছে। মানবিকতার বিষয়টি ব্যক্তিগত, কিন্তু একজন ডাক্তার যদি সবকিছুই টেস্টের রিপোর্ট দেখে রোগ নির্ণয় করে প্রেসক্রিপশন করেন, তাহলে দেশের জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা কিংবা বিভিন্ন উচ্চতর ডিগ্রির ফলাফল কোথায়?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার আওতার সূচক ১০০-এর মধ্যে ৫৪ উল্লেখ করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজ পকেট থেকে চিকিৎসাব্যয় মেটাতে গিয়ে জনগোষ্ঠীর ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় সাত কোটি মানুষ আর্থিক দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়েছে। এটি সবার দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার হিসাব নয়; চিকিৎসাব্যয়ের কারণে আর্থিক সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার চিত্র। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে উপস্থাপিত খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২-ভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, নিজ পকেটের চিকিৎসাব্যয়ের কারণে প্রায় ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ জাতীয় দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছে। গবেষণায় ওষুধকে ব্যক্তিগত চিকিৎসাব্যয়ের সবচেয়ে বড় উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুটি হিসাবের সময় ও পরিমাপ আলাদা হলেও বার্তা স্পষ্ট: চিকিৎসার আর্থিক বোঝা বহু পরিবারের স্বাভাবিক জীবন বিপন্ন করছে।

দেশের উচ্চবিত্তরা বিদেশে চিকিৎসা করতে গিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা নষ্ট করছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও অসহায় মানুষের জন্য চিকিৎসাব্যয় এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসা শেষ করা এখন গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। একদিকে একই রোগের জন্য অনেক ওষুধ কেনা, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেস্ট, ওষুধের দাম, পরীক্ষার বিল, চিকিৎসকের ফি এবং হাসপাতালে ভর্তির খরচ মিলিয়ে একটি রোগ কখনো পুরো পরিবারের অর্থনৈতিক ভিত নড়িয়ে দেয়। এই বাস্তবতায় চিকিৎসাখাতে অনৈতিক বাণিজ্যিক যোগসাজশ রোধ, আর্থিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি হাসপাতালের সেবার মান নিশ্চিত করতে কঠোর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ অপরিহার্য।

সব চিকিৎসক, ওষুধ কোম্পানি কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে দায়ী করা অন্যায়। অসংখ্য চিকিৎসক সীমিত সুযোগে নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন। মানসম্মত ওষুধ প্রস্তুতকারী ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাগারও দেশের সম্পদ। তাঁদের সম্মান ও কাজের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে পেশার মর্যাদাকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে যাঁরা অনৈতিক সুবিধা নেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই। সৎ পেশাজীবীর সবচেয়ে বড় সুরক্ষা হলো এমন ব্যবস্থা, যেখানে অসৎ ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে পার পেতে পারেন না।

প্রথমেই ওষুধের বাজারে স্বচ্ছতা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় ওষুধের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা কী এবং অনুমোদিত দামে বিক্রি হচ্ছে কি না, নিয়মিত যাচাই করতে হবে। চিকিৎসককে ব্যবস্থাপত্রে রোগীর সামর্থ্য বিবেচনায় মানসম্মত, সাশ্রয়ী বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। কোম্পানির বিপণন ব্যয়, উপহার, সম্মানী ও পৃষ্ঠপোষকতার হিসাব নিরীক্ষাযোগ্য হওয়া দরকার। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বৈধ সহযোগিতা থাকবে; তবে তার আড়ালে ব্যবস্থাপত্র কেনাবেচার সুযোগ বন্ধ করতে হবে।

দ্বিতীয় ক্ষেত্র ডায়াগনস্টিক সেবা। রোগনির্ণয়ে পরীক্ষা অপরিহার্য হতে পারে। প্রশ্ন হলো, রোগীর ইতিহাস ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় পরীক্ষাটি প্রয়োজন কি না। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই পরীক্ষা আবার কেন করতে হবে, আগের নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন কেন গ্রহণযোগ্য নয়, তা রোগীকে ব্যাখ্যা করা উচিত। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বাদ পড়াও বিপজ্জনক। তাই পরীক্ষার যৌক্তিকতা যাচাই করবেন স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা, স্বীকৃত চিকিৎসানির্দেশিকা ও রোগীর নথির ভিত্তিতে। পরীক্ষাগারের লাইসেন্স থাকাই যথেষ্ট নয়। যন্ত্রের কার্যকারিতা, নমুনা সংরক্ষণ, প্রশিক্ষিত জনবল, মাননিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিবেদন অনুমোদনকারী বিশেষজ্ঞের যোগ্যতা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ভুল প্রতিবেদনে চিকিৎসা ভুল পথে যেতে পারে, খরচও বাড়তে পারে। প্রতিটি পরীক্ষার মূল্য দৃশ্যমান রাখতে হবে এবং রোগীকে পূর্ণ রসিদ দিতে হবে। রোগী পাঠানোর বিনিময়ে কমিশনের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের লেনদেন একসঙ্গে তদন্ত করতে হবে। শুধু একজনকে শাস্তি দিয়ে আর্থিক যোগসূত্র অক্ষত রাখলে অনিয়ম ফিরবে।

তৃতীয় ক্ষেত্র চিকিৎসকদের পেশাগত ও আর্থিক জবাবদিহি। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের নৈতিক বিধিতে রোগী পাঠানোর বিনিময়ে আর্থিক বা অন্য প্রণোদনা গ্রহণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের আর্থিক স্বার্থ থাকলে সেখানে পাঠানোর আগে রোগীকে তা জানানোর নির্দেশও রয়েছে। পরামর্শ ফি ও জানা চিকিৎসাব্যয় আগাম জানানোর কথাও বলা আছে। অর্থাৎ নীতিগত ভিত্তি রয়েছে; প্রয়োজন অভিযোগ গ্রহণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা। চিকিৎসকের সময়ের মূল্য আছে, রোগীরও আছে। নির্ধারিত সময়ের দীর্ঘক্ষণ পর চেম্বার শুরু হলে অসুস্থ মানুষ ও স্বজনের ভোগান্তি বাড়ে। জরুরি দায়িত্বে বিলম্ব হতেই পারে; সে ক্ষেত্রে রোগীকে জানাতে হবে। রোগীর কথা শোনা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসার পরিকল্পনা বোঝানোর মতো সময়ও দিতে হবে। পরামর্শ ফি, পুনরায় দেখানোর নিয়ম ও প্রতিবেদন দেখানোর খরচ আগেই স্পষ্ট থাকা উচিত। ফি নির্ধারণে দক্ষতা ও সেবার ধরন বিবেচনায় রেখে বাস্তবসম্মত নির্দেশক তৈরি করা যেতে পারে।

আর্থিক স্বচ্ছতার জন্য প্রতিটি পরামর্শ, পরীক্ষা ও সেবার বিপরীতে রসিদ বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। নগদ ও ডিজিটাল—দুই ধরনের লেনদেনই হিসাবে থাকতে হবে। আইনসম্মত ক্ষমতার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আয়কর বিবরণী, প্রতিষ্ঠানের হিসাব, বিপণন ব্যয় ও সন্দেহজনক লেনদেন মিলিয়ে দেখবে। বেশি আয় অপরাধ নয়; অঘোষিত আয়, কর ফাঁকি ও অনৈতিক কমিশন তদন্তের বিষয়। রোগীর চিকিৎসাতথ্য গোপন রেখেই এই নিরীক্ষা করতে হবে। যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী বানানো যাবে না।

বিদেশের অভিজ্ঞতা থেকে বাস্তবসম্মত শিক্ষা নেওয়া যায়। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত জাতীয় স্বাস্থ্য হিসাব অনুযায়ী, মোট স্বাস্থ্যব্যয়ে ব্যক্তিগত সরাসরি ব্যয়ের অংশ ২০১৩–১৪ সালের ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ২০২২–২৩ সালে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে সরকারি ব্যয়ের অংশ বেড়েছে। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বেসরকারি চিকিৎসাসেবার ফি নির্দেশক ও হাসপাতালের বিলের তথ্য প্রকাশ করে। বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হলো, সরকারি সেবা বাড়ানো এবং চিকিৎসার সম্ভাব্য ব্যয় আগাম বোঝার সুযোগ তৈরি করা।

সরকারি হাসপাতালকে কার্যকর না করে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরতা কমানো কঠিন। উপস্থিতি যাচাইয়ের পাশাপাশি বহির্বিভাগ, ওয়ার্ড ও জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনের বাস্তব চিত্র দেখতে হবে। অনুমোদিত ছুটি ও সরকারি দায়িত্ব বিবেচনায় রেখে অননুমোদিত অনুপস্থিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কর্মঘণ্টায় ব্যক্তিগত চেম্বারে যাওয়ার অভিযোগও তদন্ত করতে হবে। তবে জনবলসংকট, অতিরিক্ত রোগীর চাপ বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবের দায় একা চিকিৎসকের ওপর চাপানো চলবে না। প্রশাসনের ব্যর্থতাও একইভাবে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সচল যন্ত্রপাতি এবং ওষুধের প্রাপ্যতা চিকিৎসারই অংশ। এসবের দায়িত্ব কার, তা স্পষ্ট করতে হবে। রোগী কতক্ষণ অপেক্ষা করছেন, প্রতিবেদন পেতে কত সময় লাগছে এবং অভিযোগ কত দিনে নিষ্পত্তি হচ্ছে, এসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা দরকার। গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকি পাওয়া গেলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ দ্রুত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেবে। স্থায়ী শাস্তির আগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও শুনানি থাকবে। একই সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা করে রোগীর সেবা চালু রাখতে হবে।

অর্থায়নেও নতুন সুযোগ এসেছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ২০ জুন ২০২৬-এর প্রতিবেদনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য বরাদ্দ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়, যা আগের অর্থবছরের সংশোধিত ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। তবে বরাদ্দের ঘোষণা আর রোগীর উপকার এক বিষয় নয়। প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা, জনবল ও প্রাথমিক সেবায় অর্থ কতটা পৌঁছাল, তার প্রকাশ্য হিসাব চাই। দরিদ্র ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীর আর্থিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

নাগরিক সমাজের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক সংগঠন, ভোক্তা অধিকার সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, গণমাধ্যম ও রোগীর প্রতিনিধিরা মিলে সেবার মান পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা, নথি সংরক্ষণে সহায়তা এবং অভিযোগকারীর সুরক্ষা প্রয়োজন। প্রমাণ ছাড়া অপপ্রচার ও চিকিৎসকের ওপর হামলার বিরুদ্ধেও সবাইকে দাঁড়াতে হবে। আবার প্রভাবশালী কারও অনিয়ম প্রমাণিত হলে পেশাগত পরিচয় বা রাজনৈতিক যোগাযোগ যেন রক্ষাকবচ না হয়। সরকারকে নির্দিষ্ট সময়সীমাসহ সংস্কার কর্মসূচি এবং তার অগ্রগতি প্রকাশ করতে হবে। স্বাস্থ্যব্যবস্থার সাফল্য বোঝা যাবে রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন কি না এবং সেই চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরিবার সর্বস্ব হারাচ্ছে কি না, এই দুই প্রশ্নের উত্তরে। মানবিক চিকিৎসক ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করেই অনৈতিক বাণিজ্য থামাতে হবে। সরকারের কাছে প্রত্যাশা তাই স্পষ্ট: নিরপেক্ষ নজরদারি, স্বচ্ছ মূল্য, কার্যকর সরকারি সেবা এবং প্রমাণিত অপরাধের নিশ্চিত শাস্তি। অসুস্থ মানুষকে সুস্থ হওয়ার লড়াইয়ের পাশাপাশি নিঃস্ব হওয়ার ভয় নিয়েও বাঁচতে হবে কেন?


লেখক: সাবেক সহ-সভাপতি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (ডুজা), ডেপুটি ডিরেক্টর (ফ্যাকাল্টি এইচআর), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

আরও পড়ুন