আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে বাংলাদেশের প্রবীণ ভাবনা
মো. শফিকুল ইসলাম
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ এএম
আজ ১লা অক্টোবর ২০২৬ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। বিশ্বের দেশে দেশে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বা হবে। চর্চিত হবে দিবসটি পালনে গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট নিয়ে। পর্যালোচনা করা হবে সমাজ ও পরিবারে প্রবীণরা কেমন আছে তা নিয়ে। আলোচনা হবে প্রবীণ কল্যাণে সরকারি ও বেসরকারি যেসব উদ্যোগ নেওয়া হলো কিংবা হলো না, তা কতটা কার্যকর হয়েছে বা কেন নেওয়া সম্ভব হলো না।
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অতি সংক্ষেপে এই কথা বলা যায় যে আধুনিক বিজ্ঞান ও সামাজিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় মানুষের গড় আয়ু সব দেশেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং ক্রমান্বয়ে তা আরও বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটির অধিক, যা বছর পঁচিশেক আগে ছিল ১ কোটির নিচে। এটি সমাজের কাঠামোগত বিবর্তন ঘটাচ্ছে, কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, পরিবার এবং সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর আন্তঃসম্পর্কে পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। কিন্তু আজকের প্রবীণ এক সময় সর্বোচ্চ কর্মক্ষম ছিল এবং তাদের প্রচেষ্টাতেই গড়ে উঠেছে আজকের অনেক অর্জন। তাই প্রবীণদেরকে যথাযথ স্বীকৃতিদান এবং তাদের কল্যাণে উপযুক্ত সরকারি নীতি ও পলিসি গ্রহণের দরকার হয়ে পড়ে।
সমাজের অগ্রগতি সাধনে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অবদানের স্বীকৃতি এবং সেই সঙ্গে তাদের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে বিগত ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত ৪৫/১০৬ নম্বর রেজুলেশনের মাধ্যমে প্রবীণ দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তারপর ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিবছর ১লা অক্টোবর জাতিসংঘের সব সদস্য দেশ এই দিবসটি পালন করে আসছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ নানাবিধ সামাজিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করে থাকে। প্রতি বছরই জাতিসংঘ কর্তৃক এ দিবসের জন্য একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে The age of Longevity: Rethinking Systems of longer lives অর্থাৎ দীর্ঘায়ু জীবনের যুগ : দীর্ঘ জীবন ব্যবস্থার পুনর্ভাবনা।
বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে প্রবীণ জীবন বাস্তবতা উপলব্ধি ও তার স্বীকৃতি প্রদান করে প্রয়োজনীয় পলিসি গ্রহণ করা। মানুষের আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে ডেমোগ্রাফিক যে পরিবর্তন হচ্ছে, তাতে পুরনো অবস্থায় অনেক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। পরিবারে বয়োবৃদ্ধ মানুষ যখন অনেক বছর ধরে বেঁচে থাকে, তখন তাদের নানা চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে, ভরণপোষণের জন্য উপার্জনশীল ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে। সঙ্গত কারণেই এতে নানা বয়সের সদস্যদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের বৈশিষ্ট্যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ঘটে অনেক ক্ষেত্রে। পুত্রবধূ হয়তো চাইছে না তার শ্বশুর-শাশুড়ির সেবাযত্ন বছরের পর বছর চালিয়ে যেতে। হয়তো তিনি স্বামীর ওপর চাপ দিচ্ছেন আলাদাভাবে নিজস্ব বাসায় বসবাস করতে। এতে অনেক ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। আবার সম্পত্তিতে নিজ অধিকার পেতে বিলম্ব হওয়ার ফলে সন্তানেরা মনঃক্ষুণ্ণ হচ্ছে, যেটা হয়তো তারা মুখে প্রকাশ করতে পারছে না। সমাজে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধিতে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাতেও চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এসব নেতিবাচক দিকের পাশাপাশি সমাজে প্রবীণ ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে দেশ, সমাজ ও পরিবার অভিজ্ঞদের মূল্যবান পরামর্শ পাওয়ার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হওয়ার অবকাশ পাচ্ছে।
বাংলাদেশে প্রবীণরা কেমন আছেন: বিশ্বের অন্য সব দেশের মতো এ দেশেও বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯.২৮% (সংখ্যায় যা প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখের বেশি), যা ২৫ বছর আগে ২০০১ সালে ছিল মাত্র ৬.৩৮%। আপাতদৃষ্টিতে এরূপ অবস্থা প্রবীণদের জন্য সন্তোষজনকই মনে হবে। কিন্তু বাইরের চাকচিক্যের আড়ালে ভিতরের চিত্রটি কি ততটাই সুখকর? মনে হয় না। বাংলাদেশের বড় সমস্যা চিকিৎসাব্যবস্থার অপ্রতুলতা। রাষ্ট্রীয়ভাবে চিকিৎসাবীমার প্রচলন না থাকার ফলে নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ নিয়েই প্রবীণদের জীবনযাপন করতে হয়। বয়সের কারণে তারা নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয় এবং তাদের অনেককে প্রায়শই হাসপাতালে ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। হেলথ ইন্স্যুরেন্সের সুবিধা না থাকার ফলে আর্থিক দৈন্যতায় দেশের বেশির ভাগ প্রবীণ যথাসময়ে উপযুক্ত ডাক্তার বা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে সক্ষম হন না। রোগযন্ত্রণার কষ্ট সহ্য করেই তাকে বেঁচে থাকতে হয়, যা তাদের কোয়ালিটি অফ লাইফ তথা জীবনমান কমিয়ে দেয়।
নিঃসঙ্গতা: প্রবীণদের বড় সমস্যা একাকীত্ব তথা নিঃসঙ্গতা। নিজ বন্ধু-বান্ধবের অধিকাংশের মৃত্যু, ছেলে-মেয়েদের বিদেশে চলে যাওয়া কিংবা অন্যত্র বসবাসজনিত কারণে মধ্যবিত্ত শিক্ষিত প্রবীণদের বড় অংশই নিঃসঙ্গ জীবনযাপনে বাধ্য হয়ে পড়ে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা তখন হয়, যখন নিজ সঙ্গীও পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পরপারে পাড়ি দেয়। শারীরিক অক্ষমতা কিংবা রোগবালাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয় একাকীত্বের অসহায়ত্ব ও মানসিক যন্ত্রণা। মানুষ তখন নিজেকে সত্যি হারিয়ে ফেলে। এ পৃথিবীর প্রতি তার আর কোনো আকর্ষণ যেন থাকে না। এই সমস্যা বোধ করি বাংলাদেশে অধিকতর প্রকট। কারণ, বিদেশের মতো এ দেশের প্রবীণরা কমিউনিটি লিভিংয়ে তথা ওল্ড হোমে তথা প্রবীণ নিবাস লিভিংয়ে অভ্যস্ত নন। কমিউনিটি লিভিংয়ে একটি নির্দিষ্ট কমপ্লেক্সে অনেকগুলো সমবয়সী লোক বাস করেন। তারা নিজেদের মধ্যে প্রতিনিয়ত ভাববিনিময় করতে পারেন। অবকাঠামোগত অনেক সুযোগ-সুবিধা—যেমন কমন স্পেস, প্রবীণ উপযোগী ব্যায়ামাগার ও খেলাধুলার সুবিধা, মেডিকেল ও নার্সিং ফ্যাসিলিটি, বাজার করা ও রান্নাবান্নার ঝামেলা থেকে মুক্তি, চিত্তবিনোদন ও ধর্মচর্চার অবারিত সুযোগসহ নানা সুবিধা থাকে এসব কমপ্লেক্সে। অবশ্য বাংলাদেশে একদিকে যেমন মানসম্মত প্রবীণ নিবাস গড়ে ওঠেনি, তেমনি প্রবীণ নিবাসে যে কোয়ালিটি জীবনযাপন সম্ভব, সে বিশ্বাসও দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়নি।
প্রবীণ প্রতারণা: প্রতারণার ঝুঁকিতে থাকে দেশের প্রতিটি মানুষ। এ দেশে প্রতারকের আনাগোনা সর্বত্র। পথে-ঘাটে চলতে-ফিরতে, ব্যাংকের লেনদেনে, অনলাইন কেনাকাটায়, জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয়কালে, বিভিন্ন ধরনের সেবা পেতে কমবেশি সবাই প্রতারণার শিকার হয়ে থাকে। তবে প্রবীণরা প্রতারণার শিকার বেশি হয়ে থাকে। প্রতারণার নিত্যনতুন কৌশলের সঙ্গে পরিচিতি না থাকা, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, অনলাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়া কার্যক্রমে অদক্ষতা, কে প্রতারক আর কে ভালো মানুষ সে সম্পর্কে বিচার-বিবেচনা করার দক্ষতা কমে যাওয়া, ইত্যাদি নানা কারণে বয়স্ক লোকেরা প্রতারকদের টার্গেট হয়ে যায়।
সেবা প্রাপ্তিতে বিড়ম্বনা: বেঁচে থাকতে নানা ধরনের সেবা নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ, ব্যাংকের লেনদেন করা, ইউটিলিটি বিল প্রদানে ব্যাংক কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সার্ভিস নেওয়া, অনলাইনে কিংবা ভূমি অফিসে গিয়ে খাজনা প্রদান, নৈমিত্তিক প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্যত্র যাতায়াত করার মতো কত ধরনের সেবাই তো প্রবীণদের গ্রহণ করতে হয়। আর সবখানেই একশ্রেণির প্রতারক চক্র ওত পেতে থাকে। কিন্তু সবার আগে তাদের টার্গেট হয় দুর্বল মানুষ, যাদের অন্যতম বয়স্ক প্রবীণ ব্যক্তি।
নিজ পরিবার এবং আত্মীয় কর্তৃক নির্যাতন: আজকের যান্ত্রিক যুগে সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং ইসলামী অনুশাসন প্রতিপালনে ঘাটতি বয়স্ক মানুষদের দাঁড় করাচ্ছে এক রুঢ় সামাজিক বাস্তবতার মুখোমুখি। অনেক বাবা-মা বৃদ্ধ বয়সে তাদের নিজ সন্তান বা আত্মীয়র দ্বারা মানসিক, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়ে থাকেন। অনেককে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে কিংবা রাস্তায় ফেলে যাওয়ার মতো অমানবিক নিষ্ঠুর ঘটনার খবরও পত্রিকায় বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হতে দেখা যায়। সব মিলিয়ে বলা যায় যে দেশের প্রবীণরা ভালো নেই।
প্রতিকারের উপায় কী: প্রবীণদের নানাবিধ অনুল্লেখিত কিংবা ইতিমধ্যে উল্লেখিত অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা সীমাবদ্ধতার মোকাবেলায় আমাদের রাষ্ট্র তথা সরকার কিংবা প্রবীণদের কল্যাণ নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠনসমূহের কি কিছুই করার নেই? উত্তর হচ্ছে—অবশ্যই অনেক কিছু করার আছে। সবারই দায়িত্ব রয়েছে নিজ অবস্থান থেকে সাধ্যমতো অবদান রাখার। বাংলাদেশ সরকার প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ ঘোষণা করেছে, যেখানে প্রবীণদের অনেক বৈধ অধিকার রক্ষার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। সেগুলো নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু তা শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলে এবং বাস্তবে প্রয়োগ না করা হলে আদৌ তার কোনো গুরুত্ব থাকে না। উদাহরণ হিসেবে মেট্রোরেলে প্রবীণদের অগ্রাধিকার সিট পাওয়ার কথা বলা যায়। সে বিষয়ে উল্লেখ করে প্রতিটি বগিতে ছবি ও লোগো টানানো আছে। কিন্তু কয়জন যুবক বয়স্কদের জন্য সিট ছেড়ে দেয়? হাসপাতালের আউটডোরে টিকিট কাটতে, বাংলাদেশ রেলের টিকিট কাটতে কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে বয়স নির্বিশেষে সবাইকে একই লাইনে দাঁড়াতে হয়। স্বাস্থ্যগত কারণেই একজন যুবক ও একজন বয়স্ক লোকের দাঁড়িয়ে থাকার সক্ষমতা সমান নয়। তাই দরকার অগ্রাধিকার আইন ও সে আইন প্রয়োগে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা তথা সিস্টেম। প্রবীণদেরকেও তাদের নিজ অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংগঠিত হওয়ার আবশ্যকতা রয়েছে। নানামুখী সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে তারা যদি ঐক্যবদ্ধ হতে পারত, তাহলে পলিসি মেকারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা সম্ভব হতো। দেশে গুটিকয়েক যেসব সংগঠন প্রবীণদের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করছে, তারাও তেমন সংগঠিত নয়। রাষ্ট্র থেকে সেসব সংগঠনকে শক্তিশালী করার কোনো পদক্ষেপও নেই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে প্রবীণদের নিয়ে যেসব সংগঠন কাজ করে, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিপরীতে প্রাপ্ত মুনাফার ওপর আয়কর অব্যাহতি দেয়া হলে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারত। কিন্তু তা করা হয় না। প্রবীণদের কল্যাণে সরকারি উদ্যোগে সারাদেশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পর্যাপ্ত প্রবীণ নিবাস তথা বৃদ্ধাশ্রম করা হলে অসহায় প্রবীণরা উপকৃত হতো। আবার সরকার নিজে না করতে পারলে অন্তত বেসরকারি উদ্যোগে প্রবীণ নিবাস তৈরি হলে সেখানে ট্যাক্স বেনিফিট দেয়া যেতে পারে। সকল ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারকালে প্রবীণদের জন্য ডিসকাউন্ট সুবিধা বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। বাংলাদেশ রেলওয়ে ও মেট্রোরেলে আলাদা বগির ব্যবস্থা করা যায়। সকল সরকারি উদ্যান ও বিনোদন কেন্দ্রে প্রবীণদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার দেয়া যেতে পারে। এভাবে উদ্ভাবনী পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবীণবান্ধব নানা কর্মসূচি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করা গেলেই প্রবীণদের মঙ্গল সাধন সম্ভব এবং সেরূপ করতে পারলেই শুধুমাত্র বছর বছর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালন সত্যিকার অর্থে অর্থবহ হতে পারে।
লেখক: সভাপতি, প্রবীণ সুরক্ষা সংস্থা এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব