EN ☀️
×

Follow Us

জীবনযাপন

দিনভর মোবাইলে চোখ, ক্ষতি এড়াতে যা মানবেন

দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস ডেকে আনছে চোখের নানা সমস্যা, জেনে নিন সহজ কিছু সমাধান

জীবনযাপন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

দিনভর মোবাইলে চোখ, ক্ষতি এড়াতে যা মানবেন

দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা চোখের ক্লান্তি ও শুষ্কতার অন্যতম কারণ, তাই নিয়মিত বিরতি নেওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বর্তমান সময়ে কাজ, বিনোদন কিংবা যোগাযোগ— সবকিছুর জন্যই মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে বহুগুণ। ঘরে বসে দিনের বড় একটা সময় কেটে যাচ্ছে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। ফলে চোখে ক্লান্তি, শুষ্কতা, ঝাপসা দেখা এমনকি দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে অনেকের মধ্যে। চিকিৎসকরা বলছেন, সচেতন হলে সহজ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমেই এসব ক্ষতি অনেকটা এড়ানো সম্ভব।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিনে তাকানোর পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকানো উচিত। এতে চোখের পেশি বিশ্রাম পায় এবং ক্লান্তি কমে।

স্ক্রিনে মনোযোগ দিলে স্বাভাবিকের তুলনায় পলক ফেলার হার অনেক কমে যায়, যার ফলে চোখ শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই সচেতনভাবে বেশি বেশি চোখের পলক ফেলার অভ্যাস করা জরুরি।

মোবাইল ফোন চোখ থেকে অন্তত ৩০-৪০ সেন্টিমিটার দূরত্বে রাখা উচিত। স্ক্রিন চোখের সমান্তরাল বা সামান্য নিচে রাখলে ঘাড় ও চোখ— দুইয়েরই চাপ কমে।

অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা অতিরিক্ত অন্ধকার স্ক্রিন— দুটোই চোখের জন্য ক্ষতিকর। আশপাশের আলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উজ্জ্বলতা রাখা উচিত। রাতে ব্যবহারের সময় 'নাইট মোড' বা 'ব্লু লাইট ফিল্টার' চালু রাখলে চোখের ওপর চাপ কম পড়ে এবং ঘুমের ব্যাঘাতও কমে।

একটানা দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে না তাকিয়ে মাঝেমধ্যে চোখ বন্ধ রাখুন বা জানালার বাইরে সবুজের দিকে তাকান। এতে চোখের ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ কমে।

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ রাখা ভালো। রাতে বিছানায় শুয়ে দীর্ঘক্ষণ ফোন দেখার অভ্যাস চোখের শুষ্কতা ও ঘুমের সমস্যা— দুটোই বাড়িয়ে দেয়।

চোখ লাল হওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা বা চোখে ব্যথার মতো উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে বিলম্ব না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মোবাইল আজকের দিনে অপরিহার্য হলেও এর সঠিক ও সচেতন ব্যবহারই পারে চোখকে সুস্থ রাখতে। ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলো নিয়মিত মেনে চললে দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

আরও পড়ুন