EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

প্রতিরক্ষা খাতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা জাপানের

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

প্রতিরক্ষা খাতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা জাপানের
অ অ

আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছে জাপান। এ জন্য ৭০ থেকে ৮০ ট্রিলিয়ন ইয়েন (৪৫৭ থেকে ৫০৮ বিলিয়ন ডলার) বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনা করছে দেশটির সরকার ও ক্ষমতাসীন জোট। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য জাপান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হলে ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছরে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। বর্তমান পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৪৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন। নতুন পরিকল্পনার সম্ভাব্য ব্যয় হবে এর প্রায় ১ দশমিক ৮ গুণ।

তবে চূড়ান্ত বরাদ্দের পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। বছরের শেষ দিকে বাজেট প্রণয়নের সময় এ অঙ্ক পরিবর্তিত হতে পারে। একই সঙ্গে নিরাপত্তাসংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নথি সংশোধন করবে জাপান সরকার। এ বিষয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আপাতত কোনো মন্তব্য করেনি।

একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন বরাদ্দের অর্থ দিয়ে বিপুলসংখ্যক ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম কেনা হতে পারে। ইয়েনের দরপতনের কারণে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার খরচও বেড়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

অন্য একটি সূত্রের ধারণা, চূড়ান্ত ব্যয়ের পরিমাণ ৭০ ট্রিলিয়ন ইয়েনের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে থাকতে পারে। তবে পূর্ব এশিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই অর্থ যথেষ্ট হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। চূড়ান্ত বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন জোটের শরিকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এর আগে ২০২২ সালের শেষ দিকে জাপান পাঁচ বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। ওই পরিকল্পনায় প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে প্রায় ৪৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন নির্ধারণ করা হয়। এর আগে বরাদ্দের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল ২৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন।

বর্তমান পরিকল্পনায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পাল্টা হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে চায় জাপান। পাশাপাশি সামরিক সরঞ্জামের গোলাবারুদ ও খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন