EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

বাইন্যান্সে ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের তির উত্তর কোরিয়ার দিকে

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫১ এএম

বাইন্যান্সে ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের তির উত্তর কোরিয়ার দিকে

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা সন্দেহ করছেন বিশ্লেষকরা। অতীতের সাইবার হামলার সঙ্গে এবারের ঘটনার মিল এবং চুরি হওয়া অর্থের লেনদেনের ধরন এ সন্দেহের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি।

বিবিসির সাইবারবিষয়ক প্রতিবেদক জো টিডির তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কাজ করা দুটি বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে উচ্চ মাত্রার আস্থার কথা জানিয়েছে।

ব্লকচেইন গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান টিআরএম ল্যাবস বলেছে, এবারের হামলার বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতায় সংঘটিত আগের চুরির মিল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার গোষ্ঠী ট্রেডারট্রেইটর এ ঘটনায় জড়িত। গোষ্ঠীটি লাজারাস গ্রুপ নামেও পরিচিত।

আরেক ক্রিপ্টো বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান চেইন্যালাইসিসও এ হামলায় উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে উচ্চ মাত্রার আস্থার কথা জানিয়েছে। 

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বাইন্যান্স থেকে চুরি হওয়া অর্থের সঙ্গে গত মাসে অন্য একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জে হামলা চালিয়ে চুরি করা অর্থের মিশ্রণ ঘটতে দেখা গেছে। ওই হামলার জন্যও ব্যাপকভাবে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করা হয়েছিল।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে একই ধরনের সাইবার হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইসহ বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছে। আগের হামলাগুলোর সঙ্গে এবারের ঘটনার মিল থাকায় দেশটির হ্যাকার গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ জোরালো হয়েছে।

তবে উত্তর কোরিয়া বরাবরই এ ধরনের হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বাইন্যান্সের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে বিবিসি প্রশ্ন করলেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো জবাব দেয়নি।

এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত হয়নি। তবে ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেনের প্রবাহ বিশ্লেষণ এবং উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার থেকে পাওয়া তথ্যকে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

আরও পড়ুন