EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব দিতে ইরানের ‘ফাদার অব অল বোম্বস’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব দিতে ইরানের ‘ফাদার অব অল বোম্বস’

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘মাদার অব অল বোম্বস। ছবি: আল জাজিরা

অ অ

‘ফাদার অব অল বোম্বস’ নামের এক নতুন ও বিধ্বংসী সমরাস্ত্র উন্মোচনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। বুধবার (২১ অক্টোবর) দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাদার অব অল বম্বসের’ সঙ্গেই ইরানের নতুন এই অস্ত্রের তুলনা করেন তিনি।

আইআরজিসি মুখপাত্র জানান, নতুন এই অস্ত্রটি শত্রুদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন এক চমক হবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর জিবিইউ-৪৩বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট (এমওবি)— যা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত। 

তবে ইরানের ইয়াং জার্নালিস্ট ক্লাব-এর তথ্যমতে, প্রস্তাবিত সমরাস্ত্রটির প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, এটি আসলে বোমা নাকি অন্য কোনো ধরণের অস্ত্র, কবে নাগাদ এটি উন্মোচন করা হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের বৃহত্তম অ-পারমাণবিক বোমা ‘এমওএবি’ ব্যবহারের কথা বিবেচনা করছে। জিপিএস-নির্দেশিত ২১ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই বিধ্বংসী বোমাটি ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে প্রথম ব্যবহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইআরজিসির মুখপাত্র মোহেবি দাবি করেন, ২০২৫ সালের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের সংঘাতের পর থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দেড় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, নিখুঁত লক্ষ্যভেদ, ধ্বংসক্ষমতা ও গোয়েন্দা সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা হয়েছে।

পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ট্যাংকার চলাচলের মার্কিন দাবি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়ে মোহেবি বলেন, কৌশলগত এই জলপথটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরো দাবি করেন, সংঘাতের আগে পারস্য উপসাগরে ৩০ থেকে ৪০টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থাকলেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানার সক্ষমতার কারণে সেগুলো এখন প্রণালি থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন