EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

পাঁচ বছরে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

পাঁচ বছরে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যেও বিশ্ববাজারে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১৩০ শতাংশের বেশি বেড়ে ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। 

আইআইএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতিদের সঙ্গে সংঘাত এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি বেড়েছে। এ প্রবৃদ্ধিতে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বিশেষ করে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো ও বাহরাইনের সঙ্গে ইসরায়েলের অস্ত্র বাণিজ্য বেড়েছে। আইআইএসএসের হিসাবে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই তিন দেশে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ ছিল মোট ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

বড় ক্রেতা সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশেষভাবে এগিয়েছে। দেশটি ইসরায়েলের কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, চালকবিহীন উড়োজাহাজ বা ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি, রাডার ও বিভিন্ন নজরদারি সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে।

দুই দেশের সহযোগিতা অস্ত্র কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, ড্রোন শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উন্নয়নেও যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আব্রাহাম চুক্তির অংশীদার মরক্কো ও বাহরাইনও ইসরায়েলের কাছ থেকে ড্রোন, রাডার, স্যাটেলাইট ও অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করেছে। তবে আমিরাতের তুলনায় দেশ দুটির সঙ্গে ইসরায়েলের যৌথ প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা সীমিত। আইআইএসএসের বিশ্লেষণে এর পেছনে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের তুলনামূলক কম সক্ষমতার বিষয়টি উঠে এসেছে। 

প্রতিবেদনটি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা আমিরাতের সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও গভীর করেছে।

সূত্র: আইআইএসএস ও দ্য প্রিন্ট।

আরও পড়ুন