EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

‘পুরোপুরি পাগল’ থেকে ‘দারুণ মেয়র’: মামদানির প্রশংসায় ট্রাম্প

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম

‘পুরোপুরি পাগল’ থেকে ‘দারুণ মেয়র’: মামদানির প্রশংসায় ট্রাম্প
অ অ

কয়েক মাস আগেও যাকে ‘আমার ছোট কমিউনিস্ট’ ও ‘পুরোপুরি পাগল’ বলে আক্রমণ করেছিলেন, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে এখন প্রকাশ্যেই প্রশংসা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্প ও মামদানি বৈঠক করেন। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে নগরীর নিরাপত্তা, অভিবাসন আইন প্রয়োগ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণ নিয়ে আলোচনা হয়। এটি ছিল দুজনের তৃতীয় সরাসরি বৈঠক। 

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প মামদানিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আশা করি, আপনি একজন দারুণ মেয়র হবেন।’ তিনি আরও বলেন, মামদানি ভালোভাবেই শুরু করেছেন। 

অথচ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মামদানির কঠোর সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁকে ‘মাই লিটল কমিউনিস্ট’ এবং ‘টোটাল নাট জব’ বলেও আখ্যায়িত করেছিলেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুজনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্কের ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

বৈঠকে নিউইয়র্কের কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ড এলাকায় আবাসন নির্মাণের একটি বড় প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। মামদানি বলেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সেখানে প্রায় ১২ হাজার বাড়ি এবং ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ বিষয়ে সিটি হল ও হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও আলোচনা চালানোর বিষয়ে দুজন একমত হয়েছেন। 

প্রকল্পটির জন্য বিপুল ফেডারেল অর্থায়ন প্রয়োজন হতে পারে। তবে সোমবারের বৈঠকে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেননি। বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা চলবে বলে জানা গেছে। 

মামদানি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নিউইয়র্কবাসীর স্বার্থে তিনি যে কারও সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তার ভাষায়, কোনো ব্যক্তি কোন দলের তা নয়, নিউইয়র্কের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে এবং শহরের জন্য কাজ করার ক্ষমতা ও ইচ্ছাই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। 

অন্যদিকে, বৈঠকের পর ট্রাম্পও নিউইয়র্কের আবাসন ও নগর উন্নয়ন নিয়ে সহযোগিতার আগ্রহ দেখান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার আগে মেয়রের সঙ্গে তার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

রাজনৈতিকভাবে দুজনের অবস্থান ভিন্ন হলেও নিউইয়র্কের আবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও নগর পরিচালনার মতো বিষয়ে সহযোগিতার সম্ভাবনাই সোমবারের বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

আরও পড়ুন