EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

ইমরান খানকে জেল থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ আদালতের

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

ইমরান খানকে জেল থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ আদালতের
অ অ

দীর্ঘদিন জেলবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নিদের্শ দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। পাকিস্তানের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানেই তার চিকিৎসা চলবে।

দীর্ঘদিন ধরেই ইমরানকে হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে আসছিল তার পরিবার এবং দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলের তরফে বারবার বলা হয়েছিল, জেলে থাকার কারণে তার স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ইমরানের আইনজীবীরা।

পিটিআই মুখপাত্র নাইম হায়দার পাঞ্জুথা জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই ইমরানকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে দলের আর এক মুখপাত্র জুলফিকার বুখারি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। ইমরানের চোখ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের যাতে আরও অবনতি না হয়, সেজন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত সময় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার দাবিও জানিয়েছে পিটিআই।’

গত বছর থেকেই তার দুই ছেলে বাবার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সাবেক পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভিও ইমরানের চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্ট নিয়ে সরব হয়েছেন। তার দাবি, রিপোর্টগুলি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ইমরানের উদ্বেগ ও মানসিক চাপ, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন বলেও জানান আলভি।

এক্স-এ দেওয়া পোস্টে আলভি দাবি করেন, তিন বছরের কারাবাস এবং সম্পূর্ণ একাকীত্ব ইমরানের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। 

তার মতে, দীর্ঘদিনের চাপ এখন ইমরানের স্বাস্থ্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

২০২৩ সালের অগস্ট থেকে জেলে রয়েছেন ৭৩ বছরের ইমরান খান। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়। রাষ্ট্রের উপহার সংক্রান্ত মামলা থেকে বেআইনি বিয়ে—একাধিক মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

তবে কয়েকটি সাজা স্থগিত বা বাতিলও হয়েছে। একাধিক মামলার আপিল এখনও বিচারাধীন। ইমরান বরাবরই তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন এবং মামলাগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন