EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে সই ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে সই ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

১০০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইলেকট্রনিকভাবে এতে স্বাক্ষর করেছেন।

দুই পক্ষ জানিয়েছে, চুক্তিটি ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত বন্ধে এই সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তির মাধ্যমে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করবে না এবং সব ফ্রন্টে সামরিক তৎপরতা বন্ধ হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইও সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমওইউ চূড়ান্ত হয়েছে এবং দুই দেশের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়েছে।

আরও পড়ুন

রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরএনএকে বাঘাই বলেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক উভয় দেশের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়েছে। এখন এটি বাস্তবায়নের বিষয়টি যাচাই করার সময়।’

আল জাজিরা জানিয়েছে, বুধবারের এই ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক তৎপরতা বন্ধের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যৎ আলোচনার পথও খুলে দেবে।

আগে পরিকল্পনা অনুযায়ী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। তবে ইলেকট্রনিকভাবে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় সেই অনুষ্ঠান আর হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাঘাই।

তবে দুই দেশের আলোচক দল এখনও জেনেভায় যাওয়ার পরিকল্পনায় রয়েছে। সেখানে মুখোমুখি বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যালয় থেকে এখনও বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মহল ইরানের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয়; বরং ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি ভিত্তি।

আরও পড়ুন