EN ☀️
×

Follow Us

আন্তর্জাতিক

রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩, নতুন আক্রমণের আশঙ্কায় সতর্কতা

ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৩০ এএম

রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩, নতুন আক্রমণের আশঙ্কায় সতর্কতা

ফাইল ছবি

অ অ

রাশিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আবারও রক্তাক্ত হলো ইউক্রেন। সর্বশেষ হামলায় দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে, আহত হয়েছেন অন্তত ১৩০ জন। পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে- এমন আশঙ্কায় দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কিয়েভ।

মঙ্গলবার (৩ জুন) ভোরে রাজধানী কিয়েভসহ দনিপ্রো এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে একযোগে এই হামলা চালানো হয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু মানুষ হতাহত হন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তাদের গোয়েন্দা তথ্য বলছে- রাশিয়া টানা দ্বিতীয় রাতেও বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিয়েভে এটি তৃতীয় বড় আকারের আক্রমণ।

বিশ্লেষকদের ধারণা, রুশ নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলে সাম্প্রতিক এক হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই কিয়েভে এই আঘাত হেনেছে মস্কো। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলেনস্কি স্বীকার করেছেন, এত বড় আকারের আকাশ হামলা প্রতিরোধের মতো পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বর্তমানে ইউক্রেনের হাতে নেই। তিনি জানান, শুধু মঙ্গলবারই প্রায় ১০০টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে ইউক্রেনের বিদ্যমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিমশিম খাচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন জানিয়েছেন জেলেনস্কি। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসকে চিঠি পাঠালেও এখনো কোনো সাড়া মেলেনি। অন্যদিকে ক্রেমলিন দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনীর কর্মকাণ্ডের কারণেই যুদ্ধের চরিত্র বদলে গেছে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা মিত্র দেশগুলোর প্রতি রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সামরিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমানে মার্কিন মধ্যস্থতায় চলমান শান্তি আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে আছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের মনোযোগ ইরান পরিস্থিতির দিকে সরে যাওয়ায় এই সুযোগে ইউক্রেনে আকাশপথে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। সব মিলিয়ে, যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন করে তীব্র হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স।

আরও পড়ুন