দক্ষিণ সুদানে বিমান হামলায় নিহত ৪০
শনিবার কোমো গ্রামে এই হামলা হয় এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ডেইলি সান রিপোর্ট, আন্তর্জাতিক
প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৪ এএম
ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ সুদানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় দুই ব্যক্তি। তারা সোমবার (১ ডিসেম্বর) নিহতদের দাফন কাজে অংশ নিয়েছিলেন। শনিবার কোমো গ্রামে এই হামলা হয় এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ ঘটনার জন্য আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ ) এবং তাদের মিত্র সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ সেনাবাহিনীকে দায়ি করা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংগঠন ‘এমার্জেন্সি লইয়ার্স’ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর বিমান হামলা গ্রামটির নার্সিং স্কুলে আঘাত হানে, যেখানে ডজনখানেক শিক্ষার্থী নিহত হন।
হেইবান গ্রামের বাসিন্দা কাফি কালু এএফপিকে জানান, ‘বিমান হামলার খবর পেয়ে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি নার্সিং স্কুলটিতে আগুন জ্বলছে। সবাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে এবং লাশ দাফন করছে। প্রায় ৪০ জনকে কবর দিতে সময় লেগেছে।’
হেইবানের আরেক বাসিন্দা টিহ ইসা বলেন, ‘আমরা গিয়ে কবর খুঁড়তে সহায়তা করেছি। ৪০টির বেশি কবর খুঁড়েছি।’
তবে এক সুদানি সামরিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, ‘সেনাবাহিনী কখনও সাধারণ মানুষ বা বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে না।’ যদিও ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলা যুদ্ধে সেনাবাহিনীর হামলায় বারবার সাধারণ মানুষের প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে।
এ যুদ্ধ এখন পর্যন্ত লাখো মানুষের প্রাণ নিয়েছে, ১ কোটি ২০ লাখকে বাস্তুচ্যুত করেছে। আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ ) এবং তাদের মিত্র সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ সেনাবাহিনী দাফুরের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। প্রায় ফ্রান্সের প্রায় সমান দক্ষিণ কর্দোফান অঞ্চলটিতে তীব্র লড়াই চলছে, যেখানে সেনাবাহিনী রাজধানী খার্তুমকে দারফুরের সঙ্গে যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চেষ্টা করছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কর্দোফানের ছোট ছোট গ্রামগুলো থেকে নভেম্বর মাসে প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।