ঢাকার অলিগলি এখন ব্যানার-পোস্টারের দখলে
ল্যাম্পপোস্ট থেকে শুরু করে বিদ্যুতের খুঁটি- বাদ পড়েনি কিছুই। ঢাকা-১৬ আসনের প্রধান সড়কে ডিজিটাল ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ভোটারদের নজর কাড়ছেন প্রার্থীরা।
ল্যাম্পপোস্ট থেকে শুরু করে বিদ্যুতের খুঁটি- বাদ পড়েনি কিছুই। ঢাকা-১৬ আসনের প্রধান সড়কে ডিজিটাল ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ভোটারদের নজর কাড়ছেন প্রার্থীরা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বাজছে দেশজুড়ে। তবে রাজধানীর ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনের চিত্র যেন একটু বেশিই বর্ণিল। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের সরু অলিগলি- কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই।
প্রার্থীরা তাদের ছবি, প্রতীক আর প্রতিশ্রুতির বাহারি ব্যানার-ফেস্টুনে ঢেকে দিয়েছেন পুরো এলাকা। সাদা-কালো পোস্টারের চিরচেনা রূপের পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যানারের আধিপত্য এবার চোখে পড়ার মতো।
মিরপুর ও পল্লবী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যুতের খুঁটি, ল্যাম্পপোস্ট এমনকি গাছও বাদ পড়েনি প্রচারের তালিকা থেকে। সারি সারি দড়িতে ঝুলছে পোস্টার, যা মাথার ওপর এক ধরনের কৃত্রিম ছাদ তৈরি করেছে। বড় বড় বিলবোর্ড আর রঙিন ফেস্টুন দিয়ে ভোটারদের নজর কাড়ছেন প্রার্থীরা।

এলাকাবাসী বলছেন, গত কয়েকদিনের ব্যবধানে বদলে গেছে এলাকার দৃশ্যপট। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসার সামনের গলিটা পুরো সাদা হয়ে গেছে পোস্টারে। প্রার্থীরা কে কার চেয়ে বেশি প্রচার করতে পারেন, যেন সেই প্রতিযোগিতাই চলছে।’ তবে শুধু দেয়াল বা খুঁটি নয়, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়ার মোড়- সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এই ত্রয়োদশ নির্বাচন।
ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেলেও ভোটাররা খুঁজছেন কাজের মানুষকে। মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার এক ভোটার বলেন, ‘ব্যানার দেখে নয়, আমরা চাই এমন প্রার্থী যিনি এলাকার সমস্যাগুলো বুঝবেন। তবে এই সাজসজ্জা নির্বাচনের আমেজটা বাড়িয়ে দিয়েছে।’
শহরজুড়ে পোস্টারের এই প্লাবন নির্বাচনী আচরণবিধির মধ্যে আছে কি না, তা নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত মাপের বাইরে ব্যানার বা যত্রতত্র প্রচার সামগ্রী না লাগাতে প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।