EN ☀️
×

Follow Us

বিনোদন

শক্তিশালী হচ্ছে দেশের ক্রিয়েটর ইকোনমি

ইউটিউবের ‘অফিসিয়াল এমসিএন’ স্বীকৃতি পেল বঙ্গ

ইউটিউবের স্বীকৃতি পেয়ে এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কারিগরি জটিলতা এবং আয়ের বহুমুখীকরণ নিয়ে কাজ করবে ‘বঙ্গ’।

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

ইউটিউবের ‘অফিসিয়াল এমসিএন’ স্বীকৃতি পেল বঙ্গ

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

দেশের অন্যতম ডিজিটাল বিনোদন প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’ ইউটিউবের অফিসিয়াল মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক (এমসিএন) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউটিউবে ক্রিয়েটরদের কন্টেন্ট ও আয় বৃদ্ধিতে কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই মর্যাদা পেল প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে তাদের ব্র্যান্ডেড নেটওয়ার্ক জুড়ে ৩ কোটিরও বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে।

ইউটিউবের একজন বিশ্বস্ত পার্টনার হিসেবে বঙ্গ প্ল্যাটফর্ম অ্যালগরিদম, মনিটাইজেশন ফ্রেমওয়ার্ক এবং পলিসি কমপ্লায়েন্স নিয়ে গভীর দক্ষতা রাখে। এটি প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল পরিবেশে ক্রিয়েটরদের নিরাপদ ও কৌশলগতভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

বঙ্গের বিশেষায়িত মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক টিম ক্রিয়েটরদের কন্টেন্ট পারফরম্যান্স এবং রেভিনিউ অপ্টিমাইজ করার পাশাপাশি চ্যানেলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করে। এতে ক্রিয়েটররা কপিরাইট সমস্যা বা নীতি লঙ্ঘনের মতো জটিলতা থেকে সুরক্ষিত থাকেন, যা দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। শুধু প্ল্যাটফর্মের কারিগরি সহায়তাই নয়, বঙ্গ ক্রিয়েটরদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘গ্রোথ ইকোসিস্টেম’ তৈরি করেছে। এর মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ‘বঙ্গ কন্টেন্ট অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রাম’, যা ক্রিয়েটরদের প্রোডাকশন কোয়ালিটি বাড়ানো এবং বড় পরিসরে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডিং বা অর্থায়ন নিশ্চিত করে।

এছাড়াও, ক্রিয়েটররা বঙ্গের স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট স্টুডিও সুবিধা, প্রফেশনাল ইক্যুইপমেন্ট এবং ডেডিকেটেড পোস্ট-প্রোডাকশন (এডিটিং ও গ্রাফিক্স) টিমের সহায়তা পাবেন। গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিস মেনে ডেটা-ড্রিভেন এসইও এবং অডিয়েন্স গ্রোথ স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে বঙ্গ নিশ্চিত করে যেন একজন ক্রিয়েটর টেকসই সাফল্য পান। আয়ের ক্ষেত্রেও বঙ্গ শুধু অ্যাডসেন্সের ওপর নির্ভর করে না; বরং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ, স্পন্সরশিপ এবং ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ক্রিয়েটরদের আয়ের নতুন পথ খুলে দেয়।

বঙ্গের ডেপুটি সিওও নাবিলা সাজ্জাদ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই ছিল এমন একটি টেকসই ইকোসিস্টেম তৈরি করা যেখানে ক্রিয়েটররা শুধুমাত্র তাদের সৃজনশীলতায় মনোযোগ দেবেন, আর তাদের ব্যবসার প্রসারের দায়িত্ব থাকবে আমাদের। আমাদের এমসিএন এবং কন্টেন্ট অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা ক্রিয়েটরদের প্রয়োজনীয় রিসোর্স দিয়ে ক্ষমতায়ন করছি, অন্যদিকে বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য মানসম্মত ডিজিটাল স্টোরিটেলিংয়ের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম তৈরি করছি।’

বঙ্গের এমসিএন নেটওয়ার্কে থাকা ক্রিয়েটররা ইতিমধ্যেই এর সুফল পেতে শুরু করেছেন। জনপ্রিয় ইউটিউবার রাকিব হোসাইন জানান, ‘বঙ্গের সাথে যুক্ত হওয়ার পর আমার সব কটি চ্যানেলের গ্রোথ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। টেকনিক্যাল এবং লিগ্যাল জটিলতাগুলো তারা সামলে নেওয়ায় আমি এখন পুরোপুরি কন্টেন্ট তৈরিতে মনোযোগ দিতে পারছি।’

একইভাবে টাইগার মিডিয়ার স্বত্বাধিকারী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক জাহিদ হাসান অভি বলেন, ‘বঙ্গের কন্টেন্ট ফিন্যান্সিং, প্রোডাকশন সাপোর্ট এবং স্টুডিও সুবিধা বাংলাদেশের যেকোনো সিরিয়াস ক্রিয়েটরের জন্য গেম-চেঞ্জার।’

এমসিএন এবং কন্টেন্ট অ্যাক্সিলারেটর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বঙ্গ বাংলাদেশে কন্টেন্ট ইনোভেশন এবং ডিজিটাল ক্রিয়েটর ইকোনমিকে পেশাদার রূপ দিতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। আপনি যদি একজন ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে নিজেকে বড় পরিসরে দেখতে চান, তবে আজই ভিজিট করুন: www.bongostudios.com

আরও পড়ুন