বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) মো. মহসিনুল করিম। সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মনসুর আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-উপদেষ্টা শাফী আহমেদ সূচক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল (অব.) মো. মহসিনুল করিম বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন, সময়ানুবর্তিতা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে মনসুর আলম নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বসুন্ধরা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন মেনে চলা, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাগত বক্তব্যে শাফী আহমেদ সূচক নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি নতুন শিক্ষাজীবনে মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং নিজেদের প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সফলতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, নবীন ও পুরোনো শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে নবীন শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম, নিয়মশৃঙ্খলা, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পান। নতুন উদ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করতে তারা অনুপ্রেরণা লাভ করেন। দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও কর্মমুখী মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।