অক্সফোর্ডে উচ্চশিক্ষায় রাইসা, বড় বোন তনিমা বিশ্বসেরা তরুণ বিজ্ঞানী
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডে ইন্টিগ্রেটেড ইমিউনোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) শুরু করেছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রাইসা ওরিন। মর্যাদাপূর্ণ এক বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার এই সুযোগ পান তিনি। অন্যদিকে রাইসার বড় বোন তনিমা তাসনিম অনন্যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত একজন তরুণ বিজ্ঞানী।
এর আগে ২০২৪ সালে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে হাই ডিস্টিংশনসহ ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন রাইসা। সেখানে তার মূল বিষয় ছিল মলিকুলার বায়োলজি অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি। পাশাপাশি অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিস্টিকসে মাইনর করেন তিনি। টরন্টোতে পড়াশোনার সময়ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম শীর্ষ বৃত্তি পেয়েছিলেন রাইসা।
এর আগে ২০২০ সালে মালয়েশিয়ার টেইলর’স কলেজ থেকে জিসিই অ্যাডভান্সড লেভেল সম্পন্ন করেন তিনি। সেখানেও পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করেন এই শিক্ষার্থী।
রাইসা ওরিনের বড় বোন তনিমা তাসনিম অনন্যা বিশ্বের সেরা ১০ তরুণ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ‘সায়েন্স নিউজ’ ‘এসএন-১০: সায়েন্টিস্ট টু ওয়াচ’ শিরোনামে ওই তালিকা প্রকাশ করে।
সায়েন্স নিউজের প্রতিবেদনে তনিমার কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার কথা তুলে ধরা হয়। তিনি এখন পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া সবচেয়ে ভারী কৃষ্ণগহ্বরগুলোর বিষয়ে গবেষণা করেছেন। মহাবিশ্বে কোথায় ও কীভাবে কৃষ্ণগহ্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং কীভাবে সেগুলো নিজেদের পরিবেশকে প্রভাবিত করে, তা বোঝার চেষ্টা করেছেন তিনি। এ গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করেন তনিমা।
তনিমার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর এবার তার ছোট বোন রাইসা ওরিনের অক্সফোর্ডে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের খবর সামনে এসেছে। মলিকুলার বায়োলজি, বায়োটেকনোলজি ও অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিস্টিকসে একাডেমিক প্রস্তুতির পর এবার ইমিউনোলজি বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করছেন তিনি।
অক্সফোর্ডের ইন্টিগ্রেটেড ইমিউনোলজি প্রোগ্রামে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য ও রোগের সঙ্গে এর সম্পর্ক নিয়ে উচ্চতর অধ্যয়ন ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। রাইসার শিক্ষাজীবনে মালয়েশিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
রাইসা ওরিন কেন্দ্রীয় বিএনপির ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের দ্বিতীয় কন্যা। দুই বোনের শিক্ষাজীবন ও গবেষণার এই অর্জন তাদের পরিবারের শিক্ষা ও গবেষণার ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরেছে।