EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

দলাদলি বন্ধ করুন, শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

ডেইলি সান রিপোর্ট, গাজীপুর

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পিএম

দলাদলি বন্ধ করুন, শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

ছবি: ডেইলি সান

অ অ

শিক্ষকদের দলাদলি ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, শিক্ষকতা শুধু জীবিকার পেশা নয়, এটি সম্মান ও দায়িত্বের জায়গা। এই পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে শিক্ষকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভাজন বা দলাদলিতে জড়ানো উচিত নয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ঢাকা জেলা পর্যায়ে ‘আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেজগাঁও কলেজের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ঢাকা জেলার ২৫টি কলেজের ৩৫৭ জন শিক্ষার্থী গান, নৃত্য, কবিতা, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষকদের উদ্দেশে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, দলাদলি বন্ধ করুন, নতুবা শিক্ষকতা ছেড়ে দিন। গত ১৭ বছরের ট্রমা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এখন সামনে তাকানোর সময়। সরকারের কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা করুন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করুন। আমরা আর ব্যাকডেটেড থাকতে চাই না।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, দক্ষতাভিত্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ভাইস-চ্যান্সেলর। তিনি বলেন, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস প্রোগ্রাম’, ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’, ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা (স্কিল এডুকেশন) এবং সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষকরা সহযোগিতা না করলে সরকার একা কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একা এসব লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের মুখের দিকে তাকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যে নতুন যাত্রা শুরু করেছে, তাতে সবাইকে অংশ নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা নয়; শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষকদের সুযোগ বাড়ানোর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ আরও সহজ করা হয়েছে। আগে পিএইচডির জন্য ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ফুল-টাইম ও পার্ট-টাইম এমফিল এবং গবেষণা সম্পন্ন করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন