EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষার্থীকে জরিমানা

শিক্ষা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষার্থীকে জরিমানা

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষার্থীকে জরিমানা করেছে প্রশাসন।

অ অ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং ও মানসিক-শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে ইতিহাস ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০ শিক্ষার্থীকে আর্থিক জরিমানা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জরিমানা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাঁদের যেকোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক বিশেষ সভায় ডিসিপ্লিন বোর্ডের সুপারিশ ও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অনুমোদিত হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০২৪-২৫) কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২৬) ১৩ জন শিক্ষার্থীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, কান ধরানো ও ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র‍্যাগিং করেন। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগের ১২ জন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে একজনকে ৩০ হাজার এবং বাকি ১১ জনকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে পৃথক আরেকটি আদেশে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আট শিক্ষার্থীকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। গত ২০ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের পশ্চিম পাশে (মনপুরা) একই বিভাগের কনিষ্ঠ ব্যাচের (৫৫তম) শিক্ষার্থীদের কান ধরে ওঠবস করানো, অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অমানবিক নির্যাতনের সত্যতা তদন্তে মেলে।

এর প্রেক্ষিতে বিভাগের চারজন শিক্ষার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে, দুজনকে ৪৫ হাজার টাকা করে, একজনকে ৪০ হাজার এবং একজনকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বিভাগ থেকে মোট জরিমানার পরিমাণ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর ধারা ৩(২)(ঘ) অনুযায়ী এই দণ্ড দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়েছে, জরিমানা পরিশোধ না করা পর্যন্ত অভিযুক্তদের চলমান পরীক্ষা, টার্ম ফাইনাল অথবা পরবর্তী নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি স্থগিত থাকবে। এ ধরনের অপরাধ পুনরায় ঘটলে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য করে ভবিষ্যতে আরও কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন