EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

২০২৮ কারিকুলামের যাত্রা শুরু, প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

২০২৮ কারিকুলামের যাত্রা শুরু, প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস
অ অ

দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে মূল্যবোধভিত্তিক কাঠামোর ওপর পুনর্গঠন এবং মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে আজ রবিবার (২১ জুন) রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মূল্যবোধভিত্তিক (ভ্যালু-বেইজড) কাঠামোর ওপর পুনর্গঠন করা হবে। নতুন কারিকুলামে পারিবারিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনা গুরুত্ব পাবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান (এফএলএন) নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। ২০২৮ সালের কারিকুলাম সংস্কারের যাত্রা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বাস্তব শেখার সক্ষমতা, পাঠদক্ষতা, গণিত দক্ষতা এবং জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্লাস-২ বা ক্লাস-৩-এর একজন শিক্ষার্থী যেন বই পড়ে তা বুঝতে পারে, নিজের ভাষায় প্রকাশ করতে পারে এবং শেখার প্রতি আগ্রহী হয়—সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, নতুন কারিকুলামে প্রতিটি শ্রেণির জন্য স্পষ্ট ‘লার্নিং আউটকাম’ এবং পঞ্চম শ্রেণি শেষে শিক্ষার্থীদের অর্জনযোগ্য দক্ষতার একটি নির্দিষ্ট ‘এক্সিট প্রোফাইল’ নির্ধারণ করা হবে। এর ভিত্তিতেই পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষক নির্দেশিকা, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী তৈরি করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ভিডিও লেসন, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং সহায়ক শিক্ষাসামগ্রী তৈরি করা হবে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণভাবে খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতির ওপর পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং তিন বছরের মধ্যে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ইন্টারঅ্যাকটিভ ফ্ল্যাট প্যানেল (আইএফপি) স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি, গণসাক্ষরতা অভিযান এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন