EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

মুহসীন হলে ব্যানার ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সমর্থকদের মুখোমুখি অবস্থান

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাবি

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:৩২ এএম

মুহসীন হলে ব্যানার ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সমর্থকদের মুখোমুখি অবস্থান
অ অ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানো ও তা সরানোকে কেন্দ্র করে শিবির অধ্যুষিত হল সংসদ এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে হলের প্রধান ফটক এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

জানা যায়, সোমবার হল সংসদের উদ্যোগে টানানো একটি ব্যানারে হলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাসের ওপর শাহবাগে হামলার ঘটনায় মুহসীন হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে দায়ী করে তার ছবি প্রকাশ করা হয়। ওই ব্যানারে হামলার দৃশ্যও যুক্ত ছিল।

এরপর মঙ্গলবার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ব্যানারটি খুলে ফেললে হল সংসদ আবার তা টানায়। এভাবে কয়েক দফায় ব্যানার টানানো ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। তৃতীয়বার ব্যানার টানানোর পর ছাত্রদল সেটি অপসারণ করতে গেলে হল সংসদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়, এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মো. সালমান খান (২০২৩-২৪ সেশন, অ্যাকাউন্টিং বিভাগ) জানান, ব্যানার রক্ষার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তার মাথা ও হাতে আঘাত করেন, এতে তিনি রক্তাক্ত হন।

এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শাহজালাল বারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হল সংসদের জিএস রিফাদ হাসান সাফওয়ান অভিযোগ করেন, ‘পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। হামলার প্রতিবাদে আমরা ব্যানার টানিয়েছিলাম। প্রভোস্টের পদত্যাগ চাই। হামলাকারীদের বহিষ্কার না করলে কঠোর আন্দোলনে যাব।’

হল সংসদের ভিপি ছাদিক হোসেন সিকদার বলেন, ‘তিনবার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার পর আমরা বাধা দিলে সালমানের ওপর হামলা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

অন্যদিকে হল সংসদের নেতারা আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে এবং তারা অতীতের সহিংস রাজনৈতিক ধারা পুনরায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন