EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ ইফতার

‘হাদিসে বলা হয়েছে, রোজাদারকে ইফতার করানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।’

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ ইফতার

ছবি: সংগৃহীত

অ অ

রমজান মাসের দশম দিনে ভিন্ন এক দৃশ্য দেখা গেল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত গণ ইফতারে শত শত রোজাদারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে। প্রতিবারের মতো এবারও ভ্রাতৃত্ব ও সওয়াবের অংশীদার হতে শিক্ষার্থীরা এই গণ ইফতারের আয়োজন করে।

বিকেল নামতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের ইফতারের তোড়জোড়। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে গোল হয়ে বসে কেউ করে ডিসিপ্লিন-এর ইফতার, কেউবা ব্যাচের ইফতার, কেউ আবার করে ক্লাব বা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার। কিন্তু আজকের দৃশ্যটা কিছুটা ভিন্ন। আজ একটাই মাত্র দল এবং শত শত রোজাদারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। কারণ আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ ইফতার।

‘হাদিসে বলা হয়েছে, রোজাদারকে ইফতার করানো অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।’ সেই সওয়াব ও ভ্রাতৃত্বের অংশীদার হতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবারের মতো এবারও আয়োজন করেছে গণ ইফতারের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত এই গণ ইফতারে প্রায় চার হাজারের অধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণ দেখা যায়।

গত বছরের গণ-ইফতারের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার প্রস্তুতি আরও সুসংগঠিতভাবে নেওয়া হয়েছে। নারীদের জন্য পর্দাসম্মত আলাদা ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

ইফতারে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী তালহা আরিফের ভাষায়, এ যেন এক বৃহৎ মিলনমেলা। তিনি বলেন, ‘গণ ইফতারকে কেন্দ্র করে সব ধর্ম বর্ণের শিক্ষার্থীদের সবাই ভ্রাতৃত্বের বৃহৎ বন্ধনে আবদ্ধ হবার সুযোগ পাচ্ছে। এছাড়া ধর্মপ্রাণ মুসলিম শিক্ষার্থীরা নিজেদের সংস্কৃতিকে সবার কাছে তুলে ধরতে পারছে, যা নিশ্চিত করছে সহাবস্থানের এক অপূর্ব মেলবন্ধন।’

আরেক শিক্ষার্থী ফাহাদ খন্দকার বলেন, ‘ভেদাভেদ ভুলে হলে সবাই মিলে এক হয়ে, সংযমের বার্তা পৌঁছে দেওয়ায় গণ ইফতারের মূল উদ্দেশ্য । একসাথে ইফতার করার কারণে একে অপরের প্রতি মহব্বত ভালোবাসা ও শোহার্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।’

আরও পড়ুন