EN ☀️
×

Follow Us

শিক্ষা

জকসু নির্বাচন

শিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২৫ পিএম

শিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ
অ অ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য পরিষদের ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী আইন বিভাগের ২০১৮-১৯  সেশনের শিক্ষার্থী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তবে এ হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করছে ছাত্রদল। 

জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছিলেন ওই শিক্ষার্থী। এ সময় হিজাব ও নিকাব পরিহিত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে দেখে তার পরিচয় জানতে চেয়ে নিকাব ও মাস্ক খুলতে বলেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। 

এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কাজী জিয়াউদ্দীন বাসিত, শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম, বর্তমান সদস্য সচিব সামছুল আরেফিন, জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম, সেক্রেটারি  ও উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ভুক্তভোগী ও শিক্ষার্থী মাহিমা বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলাম তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা এসে আমাকে হেনস্থা করে।  সাথে আমার এক আত্মীয় ছিল। আমরা গেটের বাইরেই অবস্থান করছিলাম। এ সময় আমি হিজাব পরিহিত থাকায় আমাকে হিজাব ও মাক্স খুলতে বলে।

এ বিষয়ে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “মহিমা আমার স্ত্রী ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি বাইরে আমাদের প্যানেলের হয়ে কাজ করছিলেন। এদিন সকাল থেকেই ছাত্রদল গেটের বাইরে ধাক্কাধাক্কি করে। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।”

তিনি আরও বলেন, “মহিমা ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা 'মব' সৃষ্টি করে। এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর এটি সমাধান করে দিয়েছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ক্যাম্পাসের ফটক দিয়ে তিন জামায়াতের নারী কর্মী ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদেরকে কাছে পরিচয় জানতে চাইলে তারা প্রথমে নির্বাচন কমিশনের লোক এবং পরে আইনজীবী পরিচয় দেন। সেসময় মহিমা আক্তার এসে তাদেরকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা মহিমা আত্তারের কাছে কার্ড দেখতে চাইলে তিনিও দেখাতে পারেনি। পরে তাদেরকে পুলিশ আটক করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর এটি সমাধান করে দিয়েছি। তাকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন