প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৪১ পিএম
প্রাথমিক শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবিতে চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন রয়েছে এবং কমিশনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবি সম্পর্কিত বাংলাদেশের অবস্থানগুলো তিনি বেতন কমিশনের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আশা করতে পারি, এটি বাস্তবায়ন হবে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে ময়মনসিংহের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কার্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, ইন্সট্রাক্টর ও নেপের সহকারী বিশেষজ্ঞদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘পরীক্ষা রেখে আন্দোলন করাটা যুক্তিযুক্ত হয়নি। আমরা তাদের দাবিকে অযৌক্তিক বলছি না। আমরা এটি কার্যকর করার চেষ্টা করছিলাম। তবে শিক্ষকরা পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন। আন্দোলনের কারণে বাচ্চাদের মন খারাপ হয়েছে। কিন্তু এটি পুষিয়ে যাবে, কারণ আমরা তো আবার পরীক্ষাটা নিচ্ছি।’
নতুন বই নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রাথমিকে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আগামী পহেলা জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে সব বই আমরা হাতে পেয়ে গেছি।’
শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের মতো আয়ের দেশ হোক বা আমাদের চেয়ে বেশি আয়ের দেশ, যে দেশই শিক্ষায় ভালো করছে, সেখানে প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার জন্য প্রাক-যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। বিশেষ প্রশিক্ষণ ও জ্ঞানের দরকার হয়। অনেক দেশ রয়েছে যেখানে শিক্ষক হওয়ার আগে লাইসেন্স নিতে হয়। যেমন: চিকিৎসকদের এমবিবিএস পাসের পর বিএমডিসি থেকে লাইসেন্স নিতে হয়, অন্যথায় তারা প্র্যাকটিস করতে পারেন না। শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও অনেক দেশে এ নিয়ম চালু রয়েছে। আমাদের দেশেও অদূর ভবিষ্যতে সেটি চালুর পরিকল্পনা করছি।’