কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ পিকেএসএফের
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। ‘কুটির ও মাইক্রো খাতের উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ তহবিল (সোপান)’ কর্মসূচির আওতায় ১০১টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে এ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মধ্যে ১ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ঋণ পাওয়া উদ্যোক্তাদের ৮৭ শতাংশই নারী।
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রথম ধাপে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা পায় পিকেএসএফ।
দেশের ৬৪টি জেলায় ‘সোপান’ কর্মসূচির আওতায় চারটি উপখাতে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদনশিল্প, সেবা এবং ভ্যালু চেইন অর্থায়ন। এসব খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং বিদ্যমান ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণে অর্থায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমেও ঋণ দেওয়া হচ্ছে।
এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা। এর মাধ্যমে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষিভিত্তিক ও অকৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া এসব উদ্যোগের ফরোয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড ভ্যালু চেইনের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
এসব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাংক পিকেএসএফের অনুকূলে বিশেষ তহবিল হিসেবে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে তিন ধাপে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়ার কথা রয়েছে। পুরো অর্থ ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে উদ্যোক্তা পর্যায়ে বিতরণ করা হবে।
ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের মান বজায় রাখা এবং নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় মাঠপর্যায়ে সদস্যভিত্তিক ঋণ বিতরণ ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য প্রতিদিন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এসব তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।