EN ☀️
×

Follow Us

অর্থনীতি

শিখন ঘাটতি পূরণে পিটিএর ভূমিকা জোরদার করার তাগিদ বক্তাদের

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম

শিখন ঘাটতি পূরণে পিটিএর ভূমিকা জোরদার করার তাগিদ বক্তাদের
অ অ

শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থী উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া কমাতে অভিভাবক-শিক্ষক পরিষদ (পিটিএ) শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিখন ঘাটতি পূরণে নতুন উদ্যোগের কথাও জানানো হয়।

রবিবার (২১ জুন) ঢাকার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি এ বিষয় তুলে ধরে।

সভায় বক্তারা বলেন, কার্যকর পিটিএ শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেসব বিদ্যালয়ে পিটিএ সক্রিয়, সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেশি থাকে এবং ঝরে পড়া তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

বিদ্যালয়, পরিবার ও কমিউনিটির মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এও পিটিএ সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়নে স্পষ্ট নির্দেশিকার প্রয়োজন রয়েছে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, এসএসসি পরীক্ষার আগেই শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্ষেত্রে পড়া না বোঝাই এর প্রধান কারণ। এ কারণে ডায়াগনস্টিক অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলছে।

ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির প্রতিনিধিরা জানান, টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু কেন্দ্রীয় কাঠামোর ওপর নির্ভর না করে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এতে জবাবদিহি ও সচেতনতা দুই-ই বাড়ে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, পিটিএ শিক্ষাক্ষেত্রের একটি বড় অব্যবহৃত সম্পদ। এটি কার্যকর হলে শিক্ষার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

ব্র্যাকের পক্ষ থেকে ‘ক্যাচ-আপ লার্নিং প্রোগ্রাম’ নিয়েও তথ্য তুলে ধরা হয়। এই উদ্যোগে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রিকভারি কার্যক্রম এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য প্রতিরোধমূলক শিক্ষা কার্যক্রম থাকবে।

প্রোগ্রামটি ছয়টি উপজেলায় ৭৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এর লক্ষ্য হলো পড়া, লেখা ও গণিতে শিখন ঘাটতি দ্রুত কমানো।

সভা শেষে বলা হয়, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকের যৌথ অংশগ্রহণই সবচেয়ে কার্যকর পথ। অভিভাবকের সম্পৃক্ততা বাড়লে শিক্ষার্থীর শেখার ফলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

আরও পড়ুন