EN ☀️
×

Follow Us

জীবনযাপন

ডায়াবেটিস থাকলে কি মুড়ি খাওয়া যাবে?

পুষ্টিগুণেও মুড়ি পিছিয়ে নেই; এতে রয়েছে আয়রন ও ফাইবার। পাশাপাশি পটাশিয়াম ও ফসফরাসের পরিমাণ কম থাকায় বিকেলের নাস্তার জন্য এটি বেশ জনপ্রিয়

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:২২ এএম

ডায়াবেটিস থাকলে কি মুড়ি খাওয়া যাবে?
অ অ

হালকা খিদে মেটানো থেকে শুরু করে পেটের গোলমাল কিংবা মাথা যন্ত্রণায় স্বস্তি— বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে মুড়ির বিকল্প মেলা ভার। অফিস থেকে ফিরে বিকেলের নাশতায় মুড়ির সঙ্গে চপ বা বেগুনি অনেকেরই প্রিয়। আবার গ্যাস্ট্রিক বা মাইগ্রেনের সমস্যায় মুড়ি খেয়ে উপকার পান অনেকে। 

পুষ্টিগুণেও মুড়ি পিছিয়ে নেই; এতে রয়েছে আয়রন ও ফাইবার। পাশাপাশি পটাশিয়াম ও ফসফরাসের পরিমাণ কম থাকায় বিকেলের নাস্তার জন্য এটি বেশ জনপ্রিয়।

তবে ডায়াবেটিস থাকলে মুড়ি খাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় থাকে। এই বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরাও মুড়ি খেতে পারেন, তবে তা হতে হবে পরিমিত পরিমাণে।

কখন ও কীভাবে খাবেন?

পুষ্টিবিদরা বলছেন, ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মুড়ি খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বিকেল বা সন্ধ্যাবেলা। বাংলাদেশের অনেক বাড়িতেই সকালে দুধ-মুড়ি দিয়ে নাশতা করার চল আছে, তবে ডায়াবেটিস থাকলে সকালে মুড়ি এড়িয়ে চলাই ভালো।

বিকেলের নাশতায় মুড়ির সঙ্গে চপ, শিঙাড়া বা চানাচুর মাখিয়ে খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। বরং মুড়ি খেতে হলে এর সঙ্গে মেশাতে পারেন- সেদ্ধ ছোলা বা মটর, শসা ও টমেটো কুচি, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ।

সাবধানতা যেখানে

বাজারের অনেক মুড়িতেই লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। মুড়ি কেনার সময় এই বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। অতিরিক্ত লবণযুক্ত মুড়ি উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

মুড়ি নাকি মাখানা?

ডায়াবেটিস রোগীদের হালকা খিদের জন্য মুড়ির চেয়েও ভালো বিকল্প হতে পারে মাখানা। যদিও মুড়ি স্বাস্থ্যকর, তবে এর 'গ্লাইসেমিক ইনডেক্স' (GI) কিছুটা বেশি। অন্যদিকে, মাখানার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক কম এবং এটি অল্প পরিমাণে খেলেই দ্রুত পেট ভরে যায়। যেখানে পেট ভরাতে অনেকটা মুড়ি খেতে হয়, সেখানে অল্প মাখানাতেই কাজ চলে যায়। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুড়ির তুলনায় মাখানাই বেশি নিরাপদ। [ সূত্র: আনন্দবাজার বাংলা]

আরও পড়ুন