EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

নারী, শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন শুরু

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

নারী, শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন শুরু
অ অ

নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) বিষয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউএন উইমেন বাংলাদেশ যৌথভাবে দুই দিনের জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করেছে।

রবিবার ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে কর্মশালার উদ্বোধন হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া শুধু বৈশ্বিক অঙ্গীকার নয়। এটি নৈতিক দায়িত্ব এবং সবার অভিন্ন দায়িত্ব। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এ এজেন্ডা এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ডব্লিউপিএস এজেন্ডার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ইউএন উইমেনের সহায়তায় ২০১৯ থেকে ২০২৫ মেয়াদের প্রথম জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর ভিত্তিতে দ্বিতীয় পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেয়েদের শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে নেওয়া উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের শিক্ষা, উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ায় নারীদের এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাস্তবসম্মত ও পরিমাপযোগ্য দ্বিতীয় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরির আহ্বান জানান।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম। তিনি বলেন, নতুন কর্মপরিকল্পনাটি যথাযথভাবে তৈরি করতে হবে। এর জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি যেসব নারীর জন্য পরিকল্পনাটি করা হবে, শেষ পর্যন্ত তাদেরই এর মালিকানা থাকতে হবে।

বাংলাদেশে ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ডব্লিউপিএস বিষয়ে বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে।

কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ, পরিমাপযোগ্য ফলাফল এবং জবাবদিহির ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

‘বাংলাদেশের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক নতুন প্রজন্মের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালাটি আগামীকাল সোমবার শেষ হবে।

এতে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় গ্রুপের সদস্য এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। পরিবর্তিত জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন ডব্লিউপিএস কাঠামো তৈরিতে তাদের মতামত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন