EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগোচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগোচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অ অ
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সব পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে এবং সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিন দিনের সফরে দিল্লি থেকে বৃহস্পতিবার  দুপুরে ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গর। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার্জিও গর জানান, বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং এতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

বৈঠক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমান সরকার প্রথম দিন থেকেই সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এটি কোনো একক বৈঠকের বিষয় নয়। সব স্তরেই আমাদের যোগাযোগ রয়েছে এবং সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে।’

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক সহায়তা পায়, তার অর্ধেকের বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এ বিষয়ে বৈঠকে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের বিষয়টি আলোচনা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বাংলাদেশ আশা করছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুরুতে ১৯ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হলেও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে পরে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় বাংলাদেশের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাব দিয়েছে, মার্কিন তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক আরোপ না করার বিষয়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে বিশেষ ছাড় (ডিসপেনসেশন) দিয়েছে এবং একটি ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থা চালু করেছে। এর ফলে বাংলাদেশের পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে প্রবেশের সুযোগ আরও বাড়বে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিংবা আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। এছাড়া মিয়ানমারে মানবিক করিডোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বাংলাদেশকে কোনো প্রস্তাব দেয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন