EN ☀️
×

Follow Us

কূটনীতি

তুরস্কে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন

ডেইলি সান রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:১০ পিএম

তুরস্কে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন
অ অ

যথাযথ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৫ উদযাপন করেছে তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাস। গতকাল সোমবার দেশটির রাজধানী আঙ্কারার হিলটন এসএ হোটেলে দিবস উপলক্ষ্যে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দূতাবাস থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোববারে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- তুরস্কের সেনাবাহিনী প্রধান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফেদাই ঊনসাল। পাশাপাশি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি সেক্রেটারি মোস্তফা শেকের। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- তার্কিশ সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। 

এছাড়াও, ওই অনুষ্ঠানে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তানবুলে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, তুরস্কে কর্মরত বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাবৃন্দ, তুরস্ক সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ, প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যগণ, বাংলাদেশ দূতাবাসের সব কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান, এনডিসি, পিএসসি তার সূচনা বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বিপ্লবে আত্মউৎসর্গকারী ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। 

এছাড়াও, তিনি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক বাংলাদেশ-তুরস্কের দ্বি-পাক্ষিক এবং সামরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশের গৌরবজ্জ্বল স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীন দেশের অভ্যুদয়ে সশস্ত্র বাহিনীর অতুলনীয় অবদানের বিষয়ে আলোকপাত করেন। জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বিপ্লবের শহীদ এবং আহত ছাত্র-জনতার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আওতায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। অতঃপর তিনি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান দ্বি-পাক্ষিক সামরিক গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি তুরস্ক ও বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতিম দু’দেশের সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফেদাই ঊনসাল তার বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে অভিনন্দন জ্ঞাপন পূর্বক বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সামরিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করেন ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রযাত্রায় তুরস্কের সামরিক সহযোগিতা অব্যহত থাকার বিষয়টি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন