EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

রাঙ্গাবালীতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত

নারীর শ্রমের স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

রাঙ্গাবালীতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত

রাঙ্গাবালীর বাহেরচর গ্রামে গ্রামীণ নারীদের মতবিনিময় অনুষ্ঠান।

অ অ

ঘর সামলানো থেকে কৃষিকাজ, মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কিংবা পরিবারের আয়-রোজগারে—গ্রামীণ নারীর অবদান যেন নদীর স্রোতের মতোই নিরবচ্ছিন্ন। কিন্তু সেই শ্রমের স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন এখনও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল। গ্রামীণ নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ানোর প্রত্যয়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের এনায়েত মুন্সির বাড়ির উঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ রাঙ্গাবালী শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় গ্রামীণ নারীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি সংস্থা ভার্কের কোঅর্ডিনেটর মহসিন তালুকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সমন্বয়ক এম. সোহেল এবং সংগঠনের সাবেক সদস্য আব্দুর রব হাওলাদার, রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সন্ধা রাণী, পল্লী চিকিৎসক টুম্পা দাস প্রমুখ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, গ্রামীণ নারীরা শুধু পরিবারের দেখভালই করেন না, কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ নানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের শ্রম ও অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

বক্তারা আরও বলেন, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের নারীরা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও পরিবার ও জীবিকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ, প্রযুক্তি ও বাজারসুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে গ্রামীণ নারীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। নারীরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং নিজেদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে আরও সুযোগ তৈরির দাবি জানান।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন