EN ☀️
×

Follow Us

বসুন্ধরা শুভসংঘ

জরুরি রক্তের চাহিদা মেটাতে কাজ করবে বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

জরুরি রক্তের চাহিদা মেটাতে কাজ করবে বসুন্ধরা শুভসংঘ

শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রক্তদান সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

অ অ

স্বেচ্ছায় রক্তদান, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণে স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পৃক্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে রক্তদানের মানসিকতা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রক্তদান বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি, স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের তালিকা তৈরি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী তওসিফ আহম্মেদ মাহিন বলেন, রক্তের প্রয়োজন যেকোনো সময় হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানে আগ্রহীদের সংগঠিত করার মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা সম্ভব।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাইফুল আলম রিংকু বলেন, রক্তদান নিয়ে সমাজে এখনো নানা ধরনের ভয় ও ভুল ধারণা রয়েছে। এসব দূর করতে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রচার-প্রচারণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা যেতে পারে।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার বলেন, রক্তদান একটি মানবিক উদ্যোগ। বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে রক্তের অভাবে যেন কোনো রোগী বিপাকে না পড়েন, সে জন্য তরুণদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। নারীদেরও রক্তদান সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

সভায় বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে রোগীদের জন্য জরুরি রক্তদাতা সংগ্রহ এবং নিরাপদ রক্তদানের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি, স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের তালিকা হালনাগাদ এবং একটি শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সংগঠনের সদস্যরা মনে করেন, তরুণদের এই মানবিক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে জরুরি সময়ে রক্তের অভাব দূর হওয়ার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ আরও জোরদার হবে।

আরও পড়ুন