তারুণ্যের বাংলাদেশ ভাবনা নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘে মুক্ত আলোচনা
ডেইলি সান রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
তরুণদের সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, দেশ গঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সমসাময়িক বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ ভাবনা’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান, একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন।
আলোচনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের উদ্যোগ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, দক্ষতা উন্নয়ন, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, তরুণরা একত্রিত হয়ে দেশকে বদলায়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এ দেশের তরুণ সমাজ।
তাদের প্রাণশক্তি, স্বপ্ন, সাহস ও সৃজনশীলতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও তরুণদের ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, মাদকবিরোধী সচেতনতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোগে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে। দেশ পরিবর্তনের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; প্রত্যেক নাগরিকেরই দায়িত্ব রয়েছে। তরুণরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভালো উদ্যোগ নিলে সমাজে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে জাকারিয়া জামান বলেন, তরুণরাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, মাদকবিরোধী সচেতনতা ও সামাজিক নানা সমস্যা মোকাবিলায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, তরুণদের প্রযুক্তি, নেতৃত্ব, যোগাযোগসহ প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সমাজের মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
বসুন্ধরা শুভসংঘ তরুণদের ইতিবাচক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।
আলোচনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় অংশ নেওয়া তরুণ শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।