‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ দেখতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংগীতপ্রেমীদের ভিড়
ডেইলি সান রিপোর্ট, ঢাকা
প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
ছবি: রিয়াজ আহমেদ সুমন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ ঘিরে বসেছে ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের মিলনমেলা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ কনসার্ট। কনসার্ট সহযোগিতায় আছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন (বামবা)।
কনসার্টস্থলে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেলেও দুপুরের পর বাড়তে থাকে উপস্থিতি। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাজির হয়েছেন প্রিয় ব্যান্ডের পরিবেশনা উপভোগ করতে। পরিচিত সব গানের সুরে একটি আনন্দঘন সময় কাটানোর অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। বিএনপির র্যালি শেষে কনসার্টস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। তরুণদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষদেরও কনসার্টস্থলে অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে।
কনসার্টে গান পরিবেশন করবে দেশের জনপ্রিয় সাতটি ব্যান্ড। এর মধ্যে রয়েছে- নগর বাউল জেমস, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্স। বিকেল ৪টায় শুরু হয়ে এ সংগীত আয়োজন চলবে প্রায় সাত ঘণ্টা। দর্শকদের জন্য প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
কনসার্টস্থলে অনেক তরুণদের সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে কনসার্ট উপভোগ করতে এসেছেন মিফতাহুল জান্নাত। তিনি বলেন, একই মঞ্চে দেশের এতগুলো জনপ্রিয় ব্যান্ডের গান শোনার সুযোগ সত্যিই আনন্দের। বিশেষ করে জেমস ও মাইলসের গান সরাসরি শোনার অপেক্ষায় আছি। বন্ধুদের সঙ্গে এসে বেশ ভালো লাগছে।
মাহি সিয়াম নামের এক তরুণ অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের প্রতি তরুণদের আগ্রহ বরাবরই বেশি। এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ব্যান্ড সংগীতের সঙ্গে আরও পরিচিত করবে। প্রিয় ব্যান্ডগুলোর পরিবেশনা সরাসরি উপভোগ করতে পারার আনন্দ এক অন্যরকম অনুভূতি দেয়।
কনসার্ট দেখতে আসা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। বিশেষ করে জেমস, মাইলস ও ওয়ারফেজের গান সরাসরি শোনার অপেক্ষায় অনেকেই।
কনসার্টে আসা আরেক দর্শক মহিয়া বলেন, ওয়ারফেজ ও আর্টসেলের গান আমার খুব ভালো লাগে। এমন উন্মুক্ত আয়োজন আরও হওয়া উচিত।
এদিকে, কনসার্ট কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।